অনাস্থা দিলেন নাজিরপুর প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে সমিতির একাংশ।
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি।
পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার 'বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ, কে এম ফয়সাল আহমেদের বিরুদ্ধে নানাধরণের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে অনাস্থা দিলেন সমিতির একাংশের সদস্যরা।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক বরাবর গত ১১ অক্টোবর -২০২৬ তারিখ নাজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি রুবানা আক্তার স্বাক্ষরিত একটি অনাস্থা পত্র জমা দেয়া হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সভাপতি দীর্ঘদিন ধরে সমিতির গঠনতন্ত্র ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা,তার স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষকদের সাথে দুর্ব্যবহার, আর্থিক দুর্নীতি ও শিক্ষকদের নানা রকম হয়রানি সহ নানাবিধ কর্মকান্ডের কারনে সমিতির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে।
অনাস্থা প্রদানকারী সদস্যদের পক্ষে আবেদনকারী, নাজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি রুবানা আক্তার বলেন, শিক্ষকরা কোন কাজে সভাপতির স্মরনাপন্ন হলে তিনি টাকার প্রস্তাব দেয়।এছাড়া পিটিআইতে ট্রেনিংয়ে যেতে অথবা নাম বাদ দেয়ার জন্যও তাকে টাকা দিতে হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী সভাপতি মোঃ জামিল হোসেন বলেন গত ৩১শে জানুয়ারী -২০২৫ উপজেলা কমিটি গঠিত হলেও বর্তমান সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটির কোন সভা করতে পারেনি, এটা আমাদের সংগঠনের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, তাই আমরা তার প্রতি অনাস্থা দিয়ে এবং কেন্দ্রে অবহিত করেছি, আশাকরি কেন্দ্রীয় কমিটি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাশেমকে এই বিষয় মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অনাস্থা পত্রের কথা স্বীকার করেন এবং আরো বলেন আমরা নাজিরপুর উপজেলার প্রথমিক শিক্ষা সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি, তার কর্মকাণ্ডে আমরা অসন্তুষ্ট, শীঘ্রই তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নাজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ, কে এম ফয়সাল আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিষয়টি লোকমারফত শুনেছেন,এ ব্যাপারে যেহেতু কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে অভিযোগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নিবেন।