মোঃ আনোয়ার পারভেজ জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা
গত ২৪ ঘন্টায় চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন নিয়মিত মামলার আসামী এবং অপরজন সন্ত্রাস বিরোধ আইনে অভিযুক্ত।
১/ মোঃ রিয়াদ হোসেন (২৪), পিতা নূরুল ইসলাম, মাতা সেতারা বেগস, সাং গল্লাই কানাই বাড়ী, ডাক - গল্লাই, ১০ নং গল্লাই ইউপি, থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লাকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হলো।
২/ সোহাম্মদ আলী (৩০), ( মাধাইয়া ইউনিয়ন পরিবহন শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক) পিতা- মৃত মন্তাজ উদ্দীন, মাতা- মৃত পারভীন, সাং নাওতলা ( শাহ আলম হাজী বাড়ী), থানা- চান্দিনা, জেলা কুমিল্লাকে সন্ত্রাস বিরোধ আইনে গ্রেপ্তার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হলো।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট চান্দিনা থানার আওতাধীন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে শ্রমিক সংগঠন গুলোর মধ্যে প্রভাব বিস্তার ও আধিপত্য বিস্তারের কারণে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পুলিশের অভিযানকে স্থানীয় জনসাধারণ ইতিবাচক ভাবে দেখছে।
নিয়মিত মামলার আসামী গ্রেফতার এটি প্রমাণ করে যে পুলিশ শুধু বড় মামলার দিকে নয়, বরং নিয়মিত আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
সন্ত্রাস বিরোধ আইনে গ্রেফতার রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা স্থানীয় পর্যায়ে একটি শক্ত বার্তা—আইন ভঙ্গ করলে রাজনৈতিক পরিচয় কোনো সুরক্ষা দিতে পারবে না।
স্থানীয় জনগণ মনে করছে, এ ধরনের অভিযান এলাকায় নিরাপত্তা ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।রাজনৈতিক মহলে এ গ্রেফতারকে ভিন্ন ভাবে দেখা হচ্ছে—কেউ এটিকে আইন প্রয়োগের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলছে, আবার কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।
চান্দিনা থানার এই বিশেষ অভিযান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার প্রতিফলনে নিয়মিত মামলার আসামী ও সন্ত্রাস বিরোধ আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করায় জনমনে স্বস্তি তৈরি হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় ব্যক্তির গ্রেপ্তার ভবিষ্যতে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।