টেকনাফে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া সেই শিশু শহীদ আলী উল্লাহ আলোর হত্যার ১৩ বছর অতিবাহিত।
মোহাম্মদ রায়হান ইসলাম উপজেলা প্রতিনিধি (টেকনাফ)
তার বাবা ছিল কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ কে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা খুন করার জন্য অনেক চেষ্টা করেন তখন বাবা কে খোজে না পেয়ে ছেলে কে হত্যা করেন ।
সময় টা ছিল ৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ৭ বছর বয়সী শিশু শহীদ আলী উল্লাহ আলোর
বিগত ২০১১ সালের আজকের এই দিনে,কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ-সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ'র কলিজার টুকরা ৭ বছর বয়সী শিশু পুত্র ও টেকনাফ বিজিবি-পাবলিক স্কুলের ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আলী উল্লাহ আলোকে মানুষ রুপি কয়েক জন ধানব নিজ বাড়ীর বসত ভিটায় অবস্থিত কাচারী ঘরে মুখে কস্টটেপ প্যাঁচিয়ে নির্মম ভাবে জবাই করে হত্যা করেছিল।
আজ তোমায় বেশি মনে পড়ছে। তোমার নিরাপত্তা দিতে পারিনি বলে জালিমের আদালতে বিচারও পেলাম না।
বাবা আলো আমি ব্যর্থ নই, আমরা এক স্বৈরশাসকের
হাতে জিম্মি ছিলাম। এখন মুক্ত হয়ে তোমাকেই নিঃশ্বা তোমাকে বেশি মনে পড়ছে। হে আল্লাহ আরেকটু দৈর্য্য ধরার তাওফিক দান করুন।
জননেতা জনাব আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ভাইয়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা, একজন সাহসী সিপাহসালার এবং ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ব্যক্তিত্ব।
উখিয়া-টেকনাফের (কক্সবাজার-৪) মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, জনাব আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ভাই। যার নাম শুনলেই ভেসে ওঠে এক লড়াকু সৈনিকের প্রতিচ্ছবি। তিনি কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং তিনি এক জীবন্ত ইতিহাস—নির্যাতন, ত্যাগ আর অবিচল আনুগত্যের।
ত্যাগের এক অনন্য উপাখ্যান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার করাল গ্রাসে নিজের কলিজার টুকরো সন্তানকে হারানোর যে অসহ্য বেদনা তিনি বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন, তা কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। সন্তানের শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লড়াই তাঁর কাছে সবকিছুর উর্ধ্বে।
দলের প্রতি অবিচল আনুগত্য ও দেশপ্রেম
কক্সবাজার-৪ আসনে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও, দলের বৃহত্তর স্বার্থে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে হাসিমুখে মেনে নিয়ে তিনি যে উদারতা দেখিয়েছেন, তা সমসাময়িক রাজনীতিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নিজের প্রার্থিতার চেয়ে দলের বিজয়কে বড় করে দেখে দিনরাত এক করে তিনি বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন এবং বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। এটি কেবল রাজনৈতিক দক্ষতা নয়, বরং তাঁর বিশাল হৃদয়ের পরিচয়।
কেন তিনি আমাদের হৃদয়ে: মজলুম ও সাহসী: শত জেল-জুলুম এবং অত্যাচার যাকে দমাতে পারেনি।
জনদরদী:
সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে যিনি সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছেন।
পরীক্ষিত নেতৃত্ব:
সংকটে যিনি কখনো মাঠ ছেড়ে পালাননি, বরং বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন। নেতা হওয়ার জন্য পদের প্রয়োজন হয় না, মানুষের ভালোবাসাই যথেষ্ট। আর আব্দুল্লাহ ভাই সেই ভালোবাসার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত এক মহানায়ক।
আমরা দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সুস্থ রাখুন এবং এই জনপদের মানুষের সেবা করার আরও বড় সুযোগ দান করুন। আপনার এই ত্যাগ ও শ্রম বৃথা যাবে না। উখিয়া-টেকনাফের প্রতিটি মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা সবসময় আপনার সাথে আছে।
শ্রদ্ধান্তে,
মোহাম্মদ আলম জিয়া
(সদস্য) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল টেকনাফ উপজেলা শাখা,,