টেকনাফে মানবতার আলো ছড়াচ্ছেন শাহ্ আজম সরকার: এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের গল্প
মোহাম্মদ রায়হান ইসলাম, উপজেলা প্রতিনিধি (টেকনাফ):
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত জনপদে হঠাৎ করেই এক পরম বন্ধুর আবির্ভাব ঘটেছে। তিনি আর কেউ নন, মেহনতি ও অসহায় মানুষের প্রিয়মুখ, মানবতার ফেরিওয়ালা শাহ্ আজম সরকার। উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের সাধারণ, গরিব ও অসস্থ মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে তিনি আজ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যা মানবতার ফেরিওয়ালা নামে পরিচিত শাহ্ আজম সরকার
ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা: টেকনাফবাসীর জন্য এক আশীর্বাদ নিজের অর্থ দিয়ে উখিয়া টেকনাফের মানুষের জন্য একটি ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে এক অনন্য
দৃষ্টি সৃষ্টি করেছে।
যোগাযোগ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের অসহায় মানুষের জন্য শাহ্ আজম সরকার চালু করেছেন ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা। মধ্যরাতে যে কোনো মুমূর্ষু রোগী কিংবা অর্থের অভাবে হাসপাতালে যেতে না পারা কোনো দরিদ্র পরিবারের পাশে এক জ্বলন্ত অগ্নির মতো এগিয়ে আসতেছে তার ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স। এটি কেবল একটি গাড়ি নয়, বরং এই অঞ্চলের মানুষের কাছে এক নতুন জীবনের আশা।
ভয়াবহ বন্যায় যেন এক ‘জ্বলন্ত অগ্নি’
সম্প্রতি টেকনাফে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে যখন হাজারো মানুষ পানিবন্দী ও দিশেহারা, ঠিক তখনই তিনি এক আলোর মতো ছোটো আসেন অসহায় মানুষের মাঝে । শুধু তা নয় তিনি এক জ্বলন্ত অগ্নির মতো মানুষ মানুষের জন্য এই উক্তি দিয়ে । গবীর রাত কিংবা ঝর বৃষ্টি তার সামনে কিছু না কেবল তিনি এক মহান মানুষ এর পরিচয় দেন। তাদের সব টিম উখিয়া টেকনাফ সব জায়গায় আছে। তার সবাই জরুরি যা যা লাগে যেমন, ওষুধ, খাদ্য , তাদের যাবতীয় সব জিনিস নিয়ে উপস্থিত।
"তিনি যখন আমাদের মাঝে যখন সাধারণ জনগণ মনে করে এটি শাহ্ আজম সরকার নয় তিনি যেন এক মহান মানুষ ! টেকনাফ মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখন নিজে হাজির। এটাই তার আমাদের প্রতি ভালোবাসা। আর তিনি যদি আমাদের বিপদে এসে দাঁড়ালে তখন , আমাদের মনে হলো আমরা আর একা নই। উনার উপস্থিতিই আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।" — বন্যাকবলিত এক স্থানীয় বাসিন্দা।
ক্রীড়া ও যুবসমাজের দিকপাল
শাহ্ আজম সরকার কেবল সমাজসেবকই নন, তিনি একজন খাঁটি ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে তিনি নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন এবং পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছেন। যুব সমাজকে একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়াই তার অন্যতম লক্ষ্য।
আজ উখিয়া-টেকনাফের হাজারো মানুষের মুখে একটাই নাম—শাহ্ আজম সরকার। কোনো অহংকার নাই তার মনে। তিনি আমাদের কে নিঃস্বার্থভাবে টেকনাফবাসীর মুখে হাসি ফোটানোই তার মূল লক্ষ। স্থানীয় সাধারণ মানুষের দাবি, এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে শাহ্ আজম সরকারের মতো মানবতার ফেরিওয়ালারা যত বেশি জন্মাবে, সমাজ তত দ্রুত বদলে যাবে। টেকনাফবাসী তাদের এই পরম বন্ধুর দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করছে।