ধামরাই কলাবাগানে নিয়ে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ থানায় মামলা।
মোঃ উজ্জল খান স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা
ঢাকার ধামরাই উপজেলায় এক গৃহকর্মীকে মুখ চেপে ধরে নির্জন কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩৫) তিনি উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের গোলাকান্দা গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে।
এজাহারের বিবরণ ও স্হানীয় সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নূরজাহান (২৯) ধামরাইয়ের যাদবপুর ইউনিয়নের ধানতারা বাজারে অবস্হিত ভাই ভাই হোটেল-এ কাজ করেন।
গত ২৮ জুন সকালে তিনি বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বাইশাকান্দা ইউনিয়নের গোলাকান্দা গ্রামে পৌঁছালে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম পেছন থেকে এসে অতর্কিতে তার মুখ চেপে ধরেন।এরপর চাকু ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে রাস্তার পাশে ফরহাদের মালিকানাধীন একটি কলাবাগানে তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শফিকুল ইসলাম তাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগী নূরজাহানের অভিযোগ, ঘটনার পর শফিকুল ইসলাম তাকে হুমকি দিয়ে বলেন,যদি এই ঘটনার কথা কাউকে জানানো হয় বা আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়,তবে তাকে প্রাণনাশ করা হবে।ভয়ে ও আতঙ্কে প্রথমে বিষয়টি প্রকাশ করতে না পারলেও,পরবর্তীতে পরিবারের সদস্য ও স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে তিনি থানায় গিয়ে এজাহার দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীকে এলাকার দু-একজন ভয়ভীতি করছেন এতে ভুক্তভোগী হতাশায় ভূগিতেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এমনকি ধামরাই থানার প্রশাসান নিরবতা ভূমিকা পালন করছেন, এতে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা ও ভুক্তভোগী হতাশায় প্রকাশ করেন।
স্হানীয়দের অভিযোগে, অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম-ফরহাদ হোসেন সাবেক মেম্বার স্হানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির অধীনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়েই শফিকুল ইসলাম প্রায়ই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে অভিযোগটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বলেও তাহার কোন প্রকার তদারকি করছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী নূরজাহান ও তার পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং অপরাধীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী নূরজাহান আরও বলেন, আমি একজন অসহায় দরিদ্র পরিবারের লোক বিধায় আমার প্রতি ভয় আর আত্বংকে চলছি তবুও তিনি সু বিচার দাবিতে করেছেন।