নাজিরপুর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতির ঘের দখলের চেষ্টা
মোঃ আরিফুল ইসলাম মিল্টন জেলা প্রতিনিধি পিরোজপুর।
নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাংগা ইউনিয়নের সামান্ত গাতি গ্রামে নাজিরপুর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ঘেরে জোরপূর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টার পায়তারা করছে দুর্বৃত্তরা।
ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায় একই গ্রামের মৃত জব্বার মাঝি ছেলে মোঃ কালাম মাঝি (৫২)এর সাথে দীর্ঘদিন যাবত এই ঘের নিয়ে ঝগড়া বিবাদ চলমান, এই নিয়ে এলাকা গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দুই পক্ষের কাগজপত্র একাধিকবার দেখাশুনা করেন এবং মীমাংসার চেষ্টা করেন।
সালিশদার আবুল কালাম (৬২) পিতা মৃত এ কে এম গোলাম সারোয়ার তিনি এই প্রতিনিধিকে বলেন আমরা একাধিকবার এলাকার আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে নিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করি এবং কাগজ পত্র পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় জায়গার মালিক উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি হেদায়েত ঊল ইসলাম। তিনি আরো বলেন মূল মালিক রতন ফকির তার কাছ থেকে ক্রায় সূত্রে মালিক হন চিন্ময় এই চিন্ময়ের কাছ থেকে উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি হেদায়েত ঊল ইসলাম ক্রায় সূত্রে মালিক হয় এবং এখন পর্যন্ত বোগ দখলে আছেন, জোরপূর্বক কালাম মাঝিগং জবর দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
কৃষক দলের সভাপতি হেদায়েত ঊল ইসলামকে এই প্রতিনিধি জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আমি চিন্ময়ের কাছ থেকে কবলা মূলে ঘেরের জায়গাটি খরিদ করি এবং এখন পর্যন্ত ভোগ দখলে আছি তিনি আরো বলেন একাধিকবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা আমার কাগজ পত্র এবং বিবাদী কালাম মাঝির কাগজপত্র দেখে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জায়গাটি আমার বলে দেয় তারপরও কালাম মাঝি অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে এই বিষয়ে আমি উপজেলা পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা চাই।
ঘের রক্ষণাবেক্ষণকারী মোঃ সবুজ সেখ (৩৪) পিতা মুকুল শেখ তিনি বলেন আমি হেদায়েত ভাইয়ের কাছ থেকে দীর্ঘ ৫ বছর যাবত চাষাবাদ ও মাছ চাষ করে রক্ষণাবেক্ষণা করতেছি কিন্তু বিগত ধান কাটার মৌসুমে ধান কাটতে গেলে কালাম মাজির স্ত্রী পারুল বেগম (৪২) ও তার ছেলে নয়ন মাজি (২০)আমাকে বাধা প্রদান করে এবং বাঘ বিতর্ক করে একপর্যায়ে আমাকে কিল ঘুসি মারে আমার মা লিপি বেগম (৪৫) এবং আমার ফুফু রেনু বেগম (৫০) আমাকে বাঁচাতে এলে তাদেরকেও নয়ন মাঝি কিল ঘুষি আচার পাচার দেয় এলাকার লোকজন এসে তাদেরকে প্রতিহত করে। তিনি আরো বলেন বিগত এত১৫/০৮/২০২৬ ইং তারিখ হেদায়েত ভাই এর নারকেল গাছের ডাব নারকেল অবৈধভাবে জোরপূর্বক নিয়ে যান এই কালাম মাঝি ও নয়ন মাঝি বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে জানাই।
একই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি আব্দুস সালাম (৬০) পিতা দলিল উদ্দিন শেখ বলেন মূল মালিক রতন ফকির এর কাছ থেকে চিনময় খনিজ সূত্রের মালিক চিন্ময় কাছ থেকে কৃষক দলের সভাপতি হেদায়েত ক্রয় সূত্রের মালিক এবং দীর্ঘদিন যাবত ভোগ দখলে আছে।
অভিযুক্ত কালাম মাঝি গং দের সাথে এই প্রতিনিধি তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।