শ্রমিকের মৃত্যু জন্য কারখানায় ভাঙচুর করছেন ফ্যাক্টরি এবং গাড়ি সহজ বিভিন্ন আসপার পত্র
নাম: মোঃ খাইরুল ইসলাম শ্রীপুর উপজেলার প্রতিনিধি
২৬ জুন ২০২৬ রোজ: শুক্রবার গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেঁকিবাড়ি ফ্যাক্টরি তে শ্রমিকের মৃত্যু দুঃখজনক, কিন্তু এর জেরে আশপাশের ৪টি কারখানায় ভাঙচুর—এরা কারা?
একটি কারখানায় শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে কেন আশপাশের অন্য কারখানাগুলোতে ভাঙচুর চালানো হবে?
যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘটনার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই, তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য কী? এটি কি সত্যিই শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভ, নাকি এর আড়ালে অন্য কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয়?
প্রতিবার এমন ঘটনার পর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে প্রকৃত ঘটনার তদন্ত আড়াল হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ শ্রমিক, কারখানা মালিক এবং স্থানীয় অর্থনীতি।
প্রশাসনের কাছে দাবি—শুধু শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনাই নয়, ভাঙচুর ও নাশকতার পেছনে কারা ছিল, কারা উসকানি দিয়েছে, সেটিও খুঁজে বের করা হোক। সত্য উদঘাটন হোক, দোষীদের বিচার হোক, কিন্তু নিরীহ প্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের জিম্মি করে নয়।
ঘটনার আড়ালের ঘটনাও সামনে আসুক। এবং এই সেই কুলাঙ্গার ইনচার্জ হামজা যার কারনে এই বোনটি চিকিৎসার অভাবে মারা যায় আর পুরো শ্রীপুরে সকল গার্মেন্টসে নাসকতা সৃষ্টি হয় একে আইনের আওতায় আনা হোক
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।