সোনাগাজীতে মাছবোঝাই পিকআপ ছিনতাই, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি।
৯৯৯-এ ফোন পেয়ে দ্রুত অভিযান; থানায় অভিযোগ, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাছবোঝাই একটি পিকআপ গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে দ্রুত অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছিনতাই হওয়া পিকআপটি উদ্ধার করেছে।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার (গভীর রাত) উপজেলার চরখোন্দকার এলাকা থেকে মাছবোঝাই একটি পিকআপ কেচিদিয়া এলাকার দিকে যাওয়ার পথে একদল দুর্বৃত্ত চালককে জিম্মি করে গাড়িটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত খামারের মালিক নুরুল আমিন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান।
অভিযোগ পাওয়ার পর সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে সোনাগাজী হাসপাতাল এলাকার একটি স্থান থেকে মাছবোঝাই পিকআপটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
তবে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ছিনতাইকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় খামার মালিক নুরুল আমিন বাদী হয়ে জাহাঙ্গীর আলম, রানা ও ডালিমের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী নুরুল আমিন জানান, ছিনতাইয়ের কারণে গাড়িতে থাকা প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের মাছ নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। দীর্ঘ সময় গাড়িটি আটকে থাকায় অধিকাংশ মাছ মারা গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়, এতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাশিম বলেন, "ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত এজাহার পেয়েছি। অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।"
পুলিশ জানিয়েছে, ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।