মোহাম্মদ হানিফ ফেনী সদর প্রতিনিধি
ফেনী সদর উপজেলার ৯ নং লেমুয়া ইউনিয়নের নেওয়াজপুর নাজমুন ওয়ালিয়া নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার ও সম্মানহানির অভিযোগ উঠলে তারই প্রতিবাদে ১০ ডিসেম্বর সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক হাফেজ আরিফুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসলেও একটি কুচক্রী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, তাঁর সময়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা আর্থিক অসঙ্গতি ঘটেনি। তিনি বলেন,আমি শপথ করে বলতে পারি, আমার সময়ে প্রতিষ্ঠানে এক টাকাও অনিয়ম হয়নি। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল আমার সুনাম নষ্ট করে মাদ্রাসার পরিবেশ অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে।তিনি আরও জানান, তাঁর যোগদানের পর থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ পাঠ কার্যক্রম চালু করা হয়, যা মাদ্রাসার শিক্ষার মান উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ভর্তি ও মাসিক বেতনের নির্ধারিত কাঠামো সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন ফি-সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়।ফি কাঠামো নিম্নরূপ ভর্তি ফি:নূরানী নতুন শাখা: ৭২০ টাকা ,নূরানী পুরাতন শাখা: ৬২০ টাকা, হিফজ বিভাগ: ২৫২০ টাকা মাসিক বেতন:হিফজখানা টিউশন ফি: ১০০০ টাকা,হিফজখানার খোরাকি (তিন বেলা): ৩০০০ টাকা,শিশু শ্রেণি: ২০০ টাকা,প্রথম–দ্বিতীয় শ্রেণি: ২৫০ টাকা,তৃতীয়–পঞ্চম শ্রেণি: ৩০০ টাকা,মাসিক কোচিং ফি (১ম–২য় শ্রেণি): ২০০ টাকা,মাসিক কোচিং ফি (৩য়–৫ম শ্রেণি): ৩০০ টাকা,ম্যানেজিং কমিটির কাঠামো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিতে রয়েছেন—সভাপতি: হযরত মাওলানা মুফতি আহমদ উল্লাহ সহসভাপতি: মাওলানা ইয়াছিন, মকছুদ আহমদ ও হাফেজ আরিফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক: হাফেজ আরিফুল ইসলাম (প্রধান শিক্ষক) কোষাধ্যক্ষ: নিজাম উদ্দিন কার্যকরী সদস্য: মাওলানা এনায়েত উল্লাহ, মাওলানা আব্দুল আযীজ, মাওলানা রহমতুল্লাহ, আবুল কালাম, কবীর আহমদ সরদার ও রবিউল হক মোহাম্মদ ইলিয়াছ উপস্থিতি ও বক্তব্য সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সহসভাপতি মাকসুদ আহাম্মদ, কোষাধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন, সদস্য মাওলানা রহমত উল্ল্যাহ, মো. আজগর হোসেন সোহেলসহ স্থানীয় সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।তাঁরা সবাই অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার সুষ্ঠু পরিচালনা ব্যাহত করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রধান শিক্ষককে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।অপপ্রচার বন্ধে সহযোগিতার আহ্বান প্রধান শিক্ষক হাফেজ আরিফুল ইসলাম প্রশাসন, স্থানীয় প্রতিনিধি, সচেতন মহল ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সত্য প্রতিষ্ঠায় আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান এবং মাদ্রাসার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬