
সিরাজদিখানে সাবেক সভাপতি, প্রবীণ রাজনীতিবিদ আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন দাদার মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ’র সাথে ঐক্যবদ্ধ ঘোষণা
মুন্সিগঞ্জ:জেলা প্রতিনিধিঃ আমজাদ হোসেন মিঠু
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জ-০১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর আংশিক) আসনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ঐক্যবদ্ধতার বার্তা নিয়ে এলেন সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ-এর প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫) সন্ধ্যায় সিরাজদিখানে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় প্রবীণ এই নেতা তাঁর কর্মীদের নিয়ে বিএনপি প্রার্থীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে বিএনপি-এর অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঐক্যের বার্তা
আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন যিনি দীর্ঘদিন ধরে সিরাজদিখান উপজেলায় বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ তরুণ, যোগ্য এবং এই অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম। আমি এবং আমার সকল কর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর বিজয়ের জন্য কাজ করে যাবো।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত বা দলীয় ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এখন আমাদের বৃহত্তর স্বার্থে এক হতে হবে। মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনে বিএনপি-এর বিজয় নিশ্চিত করাই এখন আমাদের প্রধান কাজ।”
প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ প্রবীণ নেতা আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন এই সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “ধীরেন মতো একজন অভিজ্ঞ এবং ত্যাগী নেতার সমর্থন আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রমাণ করে যে এই অঞ্চলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা এখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য একাট্টা। আমরা একসাথে কাজ করে মানুষের ম্যান্ডেট অর্জন করব এবং এলাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করব।”
রাজনৈতিক প্রভাব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন মতো একজন প্রভাবশালী নেতার সমর্থন শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ’র নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন গতি আনবে। ধীরেন রয়েছে নিজস্ব কর্মী বাহিনী এবং স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তাঁর একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। এই ঐক্যের ফলে মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনে বিএনপি-এর জয়ের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘোষণা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে এবং নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।