
অপু দাস স্টাফ রিপোর্টার
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব।১৬ ডিসেম্বর প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। এ সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম। তিনি বলেন, মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির ইতিহাসে আত্মপরিচয় ও আত্মমর্যাদার এক অনন্য গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কোনো দান নয়; এটি একটি জাতির সাহস, ত্যাগ ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফল। এই বিজয়ের চেতনা আমাদের দৈনন্দিন কাজ, চিন্তা ও লেখনিতে প্রতিফলিত হতে হবে।তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা হবে অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ এবং মানুষের অধিকার রক্ষার নির্ভীক কণ্ঠস্বর। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে বিচ্যুতি মানেই ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। তাই একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বলেন, মহান বিজয় দিবস আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। বীর শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা—কোনো ভয়, চাপ কিংবা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার না করে কলমকে ন্যায়ের পথে পরিচালিত করার।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়া সময়ের দাবি। ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সাংবাদিকতা চর্চার মাধ্যমেই বিজয় দিবসের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, কোষাধ্যক্ষ মামুনুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সুলতানুল আরেফিন খান (নিহাল), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজমুল হক, নির্বাহী সদস্য আক্তার হোসেন হীরা, মাসুদ পারভেজ ও মশিউর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু কাওসার মাখন, লিয়াকত হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মো. সুমন।
সাধারণ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শফিকুল আলম ইমন, আলফাজ হোসেন, আসগর আলী সাগর, অপু দাস, তানজিলুল ইসলাম লাইক, ঈসাহাক আলী পিন্টু, সিরাজুল ইসলাম রনি, মেহেদী হাসান, আদিল শেখ, রুকাইয়া চৌধুরী, রাকিবুল হাসান শুভ, মোস্তাফিজুর রহমান, সৈয়দ মাসুদ, সোহাগ হোসেন, জিয়াউল হক, আব্দুল বশীর ডলার, সাকিব, রাজা হোসেনসহ অন্যান্য সদস্যরা।