
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি; শোকসভায় মানবাধিকার নেতৃবৃন্দের জোরালো বক্তব্য শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদীর মর্মান্তিক ও অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা।এ ঘটনায় শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংস্থাটির নেতৃবৃন্দ।এ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার উদ্যোগে ফেনীতে এক শোকসভা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির ফেনী জেলা শাখার পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ, যিনি দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ-এর সাংবাদিক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা শাখার সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব উসমান গনী, জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহিম এবং সাংবাদিক মো. আবু বকর সিদ্দিক—তথ্য কর্মকর্তা (এইচআর), ফেনী জেলা।সভায় ফেনী জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকার কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।শোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফেনী জেলা শাখার পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ বলেন,শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদীর মৃত্যু আমাদের সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা প্রমাণ করে, এখনও আমাদের সমাজে মানবাধিকার কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।তিনি আরও বলেন,ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে সমাজে অপরাধের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থাকবে এবং প্রয়োজনে ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থেকে আইনগত সহায়তা প্রদান করবে।চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম তার বক্তব্যে বলেন,শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদীর অকাল মৃত্যু আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।এটি শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং গোটা সমাজের জন্য একটি বেদনাদায়ক ঘটনা। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।তিনি আরও বলেন,মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে এমন ঘটনা বারবার ঘটবে।আমাদের সংস্থা দেশের প্রতিটি প্রান্তে মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করে যাবে।শোকসভায় অন্যান্য বক্তারাও শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।সভা শেষে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার পাশাপাশি তার পরিবার-পরিজনকে এই গভীর শোক সহ্য করার শক্তি দানের জন্য দোয়া করা হয়।