
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
মহিপালে হানিফ কাউন্টারের মালিকানা বিরোধে সমঝোতা বৈঠকে সন্ত্রাসী হামলা লোহার রডের আঘাতে গুরুতর আহত মিরাজ, বাবুল-মামুনসহ ২০–৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা ফেনীর মহিপাল এলাকায় হানিফ পরিবহনের বাস কাউন্টারের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সমঝোতা বৈঠকের সময় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।এতে মো. মিরাজ (৩১) নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত মিরাজ বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিপাল হাজীর পার্শ্বে অবস্থিত হানিফ পরিবহনের কাউন্টারের মালিকানা নিয়ে বাবুল মিয়া ও সৌদি কাউন্টারের নবীর ছেলে রাশেদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে একটি সমঝোতা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে শ্রমিক নেতা আবুল কালাম আজাদ স্বপন, আজম চৌধুরী ও এনাম ড্রাইভারসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।অভিযোগে মিরাজ উল্লেখ করেন, বৈঠক চলাকালীন সময়ে বাবুল মিয়া ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে ২ নম্বর বিবাদী মামুন হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করে।এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে ওই স্থানে একাধিক সেলাই দেওয়া হয়।তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাবুল, টুটুল, মিটু ও ইমনসহ অন্যান্য বিবাদীরা তাকে কিল-ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে।এতে তার ঘাড়, পিঠ, কোমর, পা ও বাহুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। আশপাশের লোকজন এগিয়ে না এলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার আশঙ্কা ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।আহত মিরাজকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার চিকিৎসার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৪৪৭২৮।মামলায় বিবাদী হিসেবে বাবুল (৬৫), তার ছেলে মামুন (৩২), টুটুল (৩৬), মিটু (৩৪), ইমন (৩০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০–৩০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সকলের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ চাড়িপুর এলাকায়।এ ঘটনায় আহত মিরাজ তার উপর সংঘটিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার পুলিশ জানায়, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।