
স্টাফ রিপোর্টার
দুপচাঁচিয়া উপজেলার সিও অফিস বাজারে অবস্থিত একটি লোটো শোরুমের মালিক মোঃ পিন্টু আকন্দ (৩৮) অপহরণের পর নিহত হয়েছেন। নিহত পিন্টু আকন্দ নওগাঁ জেলা রানীনগর থানার লৌহচড়া গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিন এর পুত্র। মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর ২০২৫) রাত আনুমানিক ৯টা দিকে তাঁকে জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়।পরবর্তীতে আদমদীঘি থানাধীন কোমারভোগ গ্রাম থেকে কোমারপুর গ্রামমুখী সড়কে একটি হাইচ মাইক্রোবাসের ভেতর থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২২ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ০৯ টায় দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাজারের লোটো শোরুম থেকে মোঃ পিন্টু আকন্দকে অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন ব্যক্তি একটি সাদা রঙের হাইচ মাইক্রোবাসে (রেজিঃ ঢাকা মেট্রো-চ ১৫-৩২৬৮) তুলে নিয়ে যায়। গাড়িটি ভাড়া নেওয়ার সময় নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে ভিন্ন পথে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। পরে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে গাড়িটি বন্ধ হয়ে গেলে অপহরণকারীরা গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়।জিপিএসের তথ্যের ভিত্তিতে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশকে জানানো হলে আদমদীঘি থানার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসিফ হোসেন, আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান এবং দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ঘটনাস্থলে হাইচ মাইক্রোবাসের পেছনের সিটের পা রাখার স্থানে ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাক ও মুখ কস্টেপ দিয়ে পেঁচানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।একটি সাদা হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ ১৫-৩২৬৮) উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ০১ (এক) জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপচাঁচিয়া থানার এসআই মোঃ সজিব আহমেদ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশসহ থানায় নিয়ে যান।ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশ জানায়, অপহরণের পেছনের উদ্দেশ্য এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।