
সালথা হালি পেঁয়াজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে সালথার চাষিরা
ওবায়দুর রহমান
দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ সালথা উপজেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
পাট পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ফরিদপুরের সালথা উপজেলা। চলছে পেঁয়াজ রোপণের মৌসুম, কৃষাণ কৃষাণীদের জন্য শুরু হয়েছে এক মহা কর্মযজ্ঞ। মৌসুমে মোট আবাদি জমির প্রায় ৯০/৯৫ ভাগ জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এখানে উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হালি পেঁয়াজ রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। অনেকেই আবার মুড়িকাটা পেঁয়াজ উত্তোলন ও পক্রিয়া করনে ব্যস্ত। মোট কথা পেঁয়াজ মৌসুমে পেঁয়াজ নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করেন এখানকার প্রায় চল্লিশ হাজার পেঁয়াজ চাষি পরিবার। তবে সারের কৃত্রিম সংকট ও দাম বৃদ্ধি, শ্রম ও বীজের দাম চড়া হওয়ায় বিপাকে রয়েছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট আবাদি জমি প্রায় ১৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর। গত বছর ১১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়। চলতি মৌসুমে ১১ হাজার ২৪০ হেক্টরের জমিতে পেঁয়াজের চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তবে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হবে। উপজেলায় লাল তীর কিং, তাহেরপুরী, ফরিদপুরী, বারি-১, সুলতান, লালতীর হাইব্রিড, সম্রাট, ক্রসএস-৮০, রঙ্গিলা-৭, সহ বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজ রোপণ করা হচ্ছে। এবছর চাহিদা বেড়েছে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের পেঁয়াজ বীজ। উপজেলার প্রায় ৮০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিকে কৃষি প্রণোদনার আওতায় পেঁয়াজ বীজ ও রাসায়নিক স্যার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও একঝাক দক্ষ উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদান করছে।