
কুয়াকাটায় পতিতা ও মাদকের আস্তানা নামে হোটেল যমুনা গেস্ট হাউজ।
স্টাফ রিপোর্টার
মো: শাকিল হোসেন
পটুয়াখালী জেলা
লাকী থেকে যমুনা,নাম পাল্টালেও চরিত্র পাল্টায়নি।
কুয়াকাটার পর্যটন এলাকায় অবস্থিত যমুনা হোটেলের বিরুদ্ধে মাদক ও পতিতাবৃত্তির সঙ্গে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত ‘হোটেল লাকী’ নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে ‘যমুনা হোটেল’ নামে পরিচালিত হলেও এর কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটা পর্যটন এলাকার প্রায় ২৫ বছরের পুরোনো পতিতাবৃত্তির অভিযোগে আলোচিত এই স্থাপনাটি নাম পরিবর্তনের পরও একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, বর্তমানে যমুনা হোটেল কুয়াকাটার মধ্যে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এই কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১৯ জন ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
হোটেলের সম্মুখভাগে দায়িত্বে থাকা হিসেবে জাহিদ নামের একজন ব্যক্তি এবং সাইফুল নামের আরেকজনের নাম অভিযোগে উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে কুয়াকাটার সামাজিক পরিবেশ, পর্যটনের সুনাম এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবার নিয়ে বসবাস ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, যমুনা হোটেলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে কুয়াকাটাকে মাদক ও পতিতাবৃত্তিমুক্ত পর্যটন এলাকা হিসেবে রক্ষা করার আহ্বান জানান তারা।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।