এমন শীত আরো কয়দিন থাকবে,জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
সুমন রায়
উপজেলা প্রতিনিধি সৈয়দপুর,নীলফামারী
দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ।
দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। রাতভর কুয়াশা, সকালে শীতের কামড়ে নাকাল দেশবাসী। কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। রাতভর মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার প্রকোপ থাকে সকাল পর্যন্ত। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। ক্ষণে ক্ষণে বইছে হিমেল হাওয়া। আবহাওয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৯ ডিগ্রির ঘরে। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বাড়বে কুয়াশা এবং তীব্র হবে শীতের অনুভূতি।
এমন শীত কয়দিন থাকবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
ঘন কুয়াশার সতর্কতা পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোনো কোনো এলাকায় এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তাপমাত্রা ও বৃষ্টির সম্ভাবনায় আগামী কয়েক দিন সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে ২৯ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিভাগীয় শহরগুলোর তাপমাত্রা গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরে ১১ দশমিক ২, ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি, চট্টগ্রামে ১৫ ডিগ্রি, রাজশাহীতে ১০ দশমিক ৪, খুলনায় ১১ দশমিক ২, ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬