মো: শাকিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার পটুয়াখালী জেলা
বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, ৩ দিন ধরে দেখা মেলেনি সূর্যের সোমবার সকাল ৯টায় পটুয়াখালীর জেলার কলাপাড়া উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রের্ডক করা হয়েছে ।পটুয়াখালীর জেলার কুয়াকাটা উপকূলীয় এলাকাসহ সকল জায়গায় টানা তিনদিন ধরে ঘন মেঘ ও কুয়াশার আবরণে ডাকা থাকার কারনে সূর্য মামার দেখা মেলেনি। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত চারপাশ ঢেকে থাকছে ঘন কুয়াশায়। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, যার ফলে রাস্তাঘাট ও পরিবেশ সারাক্ষণ শিশিরে ভিজে থাকছে।ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। এতে সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে মহাসড়ক ও উপকূলীয় সড়কগুলোতে চলাচলের সময় চালকরা চরম সতর্কতা অবলম্বন করছেন।পটুয়াখালী জেলার আবহাওয়া অফিসের মাধ্যমে জানায়, সোমবার সকাল ৯টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও সোমবারের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে সূর্যের দেখা না পাওয়ায় ঘন ও হিম বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর শ্রমিক, কৃষক, রিকশা, ভ্যান ও বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা। জীবিকার তাগিদে অনেকেই কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেই কাজে বের হলেও স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য কেউ কেউ খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহানোর চেষ্টা করছেন।এদিকে দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশা ও ঠাণ্ডায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শীতকালীন সবজি চাষিরা। পর্যাপ্ত রোদ না পাওয়ায় ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। পাশাপাশি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুব রহমান সুখি বলেন,ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা যাচ্ছে না।আজ তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপকূলীয় এলাকায় আরও কয়েকদিন কুয়াশা ও শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে।এ অবস্থায় যানবাহন চালক ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬