1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী হিসেবে তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত ছিলেন ভোলার মেয়ে ফাতেমা  - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আরিফুল হক সুবেল প্রধান এর নির্দেশনায় টঙ্গীর ৪৩ নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা   মর্ণিং স্টার কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাই স্কুল ফকিরের বাজার বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালিত গোমস্তাপুরে বিএনপির নারী কর্মী সমাবেশ এনায়েতপুরে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  চট্টগ্রাম মীরসরাই উপজেলায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিল  ফাঐ হাই স্কুল মাঠে বিএনপির বিশাল জনসভা নান্দাইলে খাল খননের দাবিতে ছেতরা বিলপাড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ৪৭ নওগাঁ ২ আসনের পত্নীতলার আকবরপুরে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত শার্শা উপজেলার অন্তর্গত কায়বা ইউনিয়নের চালিতা বাড়িয়া  স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন শ্রীপুর বাজার ,উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ভিডিও সংবাদ 👇👇

খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী হিসেবে তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত ছিলেন ভোলার মেয়ে ফাতেমা 

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

মো: জিহাদ হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি ভোলা সদর ভোলা

ভোলার গর্ব ফাতেমা শুধু একজন গৃহকর্মী নন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গীও ।বহু নাম উচ্চারিত হয় রাজনীতির ইতিহাসে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা, কারাগার।কিন্তু সেই ইতিহাসের আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় নয়, ছায়ায় থেকেই যারা ইতিহাসের সাক্ষী।বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে সেই ছায়াসঙ্গীর নাম ফাতেমা বেগম।ভোলার মেয়ে ফাতেমা এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন । ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একবার কটাক্ষ্য করে বলেছিলেন, কারাগারেও তাকে (খালেদা জিয়া) ফাতেমাকে লাগবে??দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ দিন, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর, সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা।সে কোনো রাজনৈতিক কর্মী নন, কোনো দলীয় পদও নেই। তবু ইতিহাসের কঠিন চরম মুহূর্তগুলোয় তার উপস্থিতি ছিল প্রতিনিয়ত।দুঃখের ভেতর বড় হওয়া জীবন ফাতেমার জন্ম আমার জেলা ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। সংসারের ভার তার কাঁধে আসে খুব অল্প বয়সেই।একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর সংসার বাঁধেন। মেঘনা নদীর চরে কৃষিকাজ করে চলতো জীবন। ঘরে আসে মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। ২০০৮ সালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। ছেলের বয়স তখন মাত্র দুই বছর, মুহূর্তে বদলে যায় ফাতেমার  জীবনের মানচিত্র।স্বামীর মৃত্যুর পর ছোট দুই সন্তান নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবা-মায়ের ঘরে। মুদি দোকানি বাবার সামান্য আয় সংসারের চাহিদা মেটাতে পারছিল না। তখনই জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেন, সন্তানদের গ্রামে রেখে কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।ঢাকায় এসে নতুন অধ্যায় ২০০৯ সাল। পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নারীর দৈনন্দিন জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন ফাতেমা।সকল ধরনের কাজ, এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়, যেন সম্পর্কের দায়।বাথরুমে আনা- নেওয়া ওষুধ খাওয়ানো  শারীরিক দুর্বলতায় তার হাত  ধরে রাখা ইত্যাদি সব ধরনের কর্মকাণ্ডে তিনি সব সময় পাশেই ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট