
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা, মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বারোপ সিভিল সার্জনের আজ ৫ জানুয়ারি ২০২৫ (রবিবার) ফেনী জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সিভিল সার্জন কার্যালয়, ফেনীর উদ্যোগে এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সহযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের প্যাথলজিকাল ল্যাবে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা, মেডিকেল বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফেনী জেলার মান্যবর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হলে ল্যাবরেটরির গুণগত মান ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।তিনি সকল বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (সমন্বয়) ডা. মো. ইমাম হোসেন, মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদুল হাসান, মেডিকেল অফিসার ডা. আমির খসরু এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জনাব মাইনউদ্দীন।অনুষ্ঠানে মূল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. আমির খসরু। তিনি প্যাথলজিকাল ল্যাবে রোগীদের নির্ভুল পরীক্ষা নিশ্চিত করতে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ রক্ষা, মেডিকেল বর্জ্যের সঠিক পৃথকীকরণ ও নিরাপদ নিষ্পত্তি এবং নিয়মিত গুণগত মান মনিটরিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।পরবর্তীতে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জনাব মাইনউদ্দীন। তিনি ল্যাবের দৈনন্দিন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।প্রশিক্ষণে ফেনী জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাথলজিকাল ল্যাবে কর্মরত ল্যাব টেকনোলজিস্টরা অংশগ্রহণ করেন।এছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সম্মানিত প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত থেকে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নিয়মিত আয়োজন করা হলে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।