1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
শার্শা উপজেলায় সামটার পুরানো জমিদার বাড়ির ইতিহাস ও ঐতিয্য। - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোমা মোখলেস মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষা সফর পালিত ২০২৬ পত্নীতলার ৩নং দিবর ইউনিয়নে বিএনপির একমত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মাজেদুল ইসলামের গণসংযোগে জনস্রোত মাদারীপুরে ট্রাক উল্টে খাদে, দুই মৌচাষি নিহত পাংশায় অবৈধ বিএসবি ইটভাটার চিমনি ভেঙে দিল প্রশাসন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা সুন্দরবনে ঝিনুক ও শামুক পাচারকালে ট্রাকসহ ৭ হাজার ৫০০ কেজি মাল জব্দ যশোর-১ শার্শা উপজেলায় বিএনপির তিন জন নেতা জামায়াত ইসলামীতে যোগদান নীলফামারী ডিমলায় জামায়াতে ইসলামীর আমিরের আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের গণজোয়ার-রসুনিয়ায় শেখ আব্দুল্লাহর পথসভা গাজীপুর ১ আসনের একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত জনসংযোগ

ভিডিও সংবাদ 👇👇

শার্শা উপজেলায় সামটার পুরানো জমিদার বাড়ির ইতিহাস ও ঐতিয্য।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

শার্শা উপজেলায় সামটার পুরানো জমিদার বাড়ির ইতিহাস ও ঐতিয্য।

গোলাম মোস্তফা, শার্শা উপজেলা (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের শার্শা উপজেলার সামটা গ্রামে বেতনা নদীর পশ্চিম তীরে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে, একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি। স্থানীয় ভাবে এটি এখন ‘শহীদুল ইসলামের বাড়ি’ নামে পরিচিত হলেও অনেকের কাছে এটি এখনও ‘পুরনো জমিদার বাড়ি’। প্রায় ৯৩ বছর আগে নির্মিত এই স্থাপনাটি ব্রিটিশ আমলের গ্রাম বাংলার সামাজিক-অর্থনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী।

যশোর থেকে নাভারণ হয়ে সাতক্ষীরা গামী সড়ক ধরে সামটা জামতলা রোডের প্রায় ৫০০ মিটার পূর্বে এবং সামটা বাজার থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দক্ষিণে এই স্থাপনাটির অবস্থান। বাড়িটি থেকে প্রায় ৩০০ মিটার পূর্ব দিকে বেতনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। বাড়ির দক্ষিণ দিকে রয়েছে ৭০ মিটার বাই ৫০ মিটার পরিমাপের একটি প্রাচীন জলাশয়। যা একসময় এই জমিদার বাড়ির দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে গভীর ভাবে যুক্ত ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলকাতার জমিদারদের অধীনে থাকা রাধানাথ প্রধান ও প্রজনাথ প্রধান ১৩৩০ বঙ্গাব্দে এই বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে তা সম্পন্ন হয়। তারা ছিলেন জমিদারদের গাতিদার রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিনিধি। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হন এবং সেই সামর্থ্যেই নির্মিত হয় এই দোতলা আবাসিক ভবন।সমতল ভূমি থেকে প্রায় আধা মিটার উঁচু একটি প্ল্যাট ফর্মের ওপর ইন্দো-ইউরোপীয় রীতিতে নির্মিত দক্ষিণমুখী এই ভবনটি ।।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট