জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হলেও ওএমআর (OMR) মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে। এই গুমোট পরিস্থিতির মধ্যেই কড়া নিরাপত্তা ও চেকপোস্টের ফাঁক গলে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের মাঝে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
যান্ত্রিক ত্রুটিতে আটকে আছে ফলাফল আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছিলেন, কেবল তারাই ভোট দিতে পেরেছেন। তবে ভোট শেষে গণনা শুরু করতে গিয়ে ওএমআর মেশিনে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক গণনা শুরু করা সম্ভব হয়নি।
নিরাপত্তার বেহাল দশা: হাতেনাতে আটক ২ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে বুধবার বিকেলে সরজমিনে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বহিরাগতদের ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে সোহান নামে এক ছাত্রদল কর্মীকে ভুয়া আইডি কার্ড ব্যবহারের সময় হাতেনাতে ধরে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া হাসান নামে শিবিরের প্যানেল সমর্থিত এক এজেন্ট বৈধ কার্ড দেখাতে না পারায় তাকেও প্রক্টরিয়াল বডি ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে দেয়।
নিরাপত্তা শিথিলতা এবং বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তা চাইলে সহকারী প্রক্টর মাহাদী হাসান জুয়েল বিতর্কিত মন্তব্য করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বলতে শোনা যায়, “ঢুকলে আমি কী করবো? তোমরাই বের করে দাও।” প্রশাসনের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
ভোট গণনা স্থগিত থাকা এবং একই সময়ে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশকে নির্বাচনের স্বচ্ছতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন প্রার্থীরা। বেশ কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার এই চরম অবনতি ভোটের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তারা দ্রুত ভোট গণনা শুরু এবং ক্যাম্পাস থেকে বহিরাগতদের বিতাড়নের দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬