নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। একইসাথে নিয়োগের নামে অর্থ লেনদেন বা প্রতারণা থেকে সাবধান থাকতে পরীক্ষার্থীদের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো: শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অবস্থান পরিষ্কার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা ব্যতীত দেশের বাকি সব জেলায় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়। পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, আসন বিন্যাস, প্রশ্নপত্র মুদ্রণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং ফলাফল প্রস্তুতের যাবতীয় কার্যক্রম সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা হয়। ফলে এখানে মানুষের কোনো প্রকার অবৈধ হস্তক্ষেপ বা প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই।
দালালের খপ্পরে না পড়ার অনুরোধ, অধিদপ্তর পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে বলেছে: কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পড়ে অর্থ লেনদেন করবেন না। কেউ চাকরির প্রলোভন দেখালে তাকে দ্রুত নিকটস্থ থানায় সোপর্দ করুন অথবা গোয়েন্দা সংস্থাকে জানান।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান দেবেন না। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই এই নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করা হবে। জালিয়াতির সাথে জড়িত কাউকে পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬