1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
চলতি মৌসুমে লোকসানের ক্ষত বুকে নিয়েই বড়াইগ্রামে আবারও রসুন চাষ চলছে অবিরাম পরিচর্যা - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাউফলে আ.লীগ নেতা শাহজাদার বিএনপিতে যোগদানের গুঞ্জন, প্রশাসনে তোলপাড় আরিফুল হক সুবেল প্রধান এর নির্দেশনায় টঙ্গীর ৪৩ নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা   মর্ণিং স্টার কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাই স্কুল ফকিরের বাজার বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালিত গোমস্তাপুরে বিএনপির নারী কর্মী সমাবেশ এনায়েতপুরে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  চট্টগ্রাম মীরসরাই উপজেলায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিল  ফাঐ হাই স্কুল মাঠে বিএনপির বিশাল জনসভা নান্দাইলে খাল খননের দাবিতে ছেতরা বিলপাড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ৪৭ নওগাঁ ২ আসনের পত্নীতলার আকবরপুরে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত শার্শা উপজেলার অন্তর্গত কায়বা ইউনিয়নের চালিতা বাড়িয়া  স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত 

ভিডিও সংবাদ 👇👇

চলতি মৌসুমে লোকসানের ক্ষত বুকে নিয়েই বড়াইগ্রামে আবারও রসুন চাষ চলছে অবিরাম পরিচর্যা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আলমগীর কবিরবড়াইগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি (নাটোর):

‎নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় চলতি মৌসুমে আবারও ব্যাপক পরিসরে রসুন চাষ হয়েছে। বাটোরা, গোপালপুর, মহানন্দগাছা, ভরতপুর, মানিকপুর ও তারানগরসহ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মাঠজুড়ে সবুজ রসুনের চারা দেখা যাচ্ছে। আগের মৌসুমে আর্থিক ক্ষতির অভিজ্ঞতা থাকলেও ভালো দামের আশায় নতুন করে চাষে ফিরেছেন কৃষকরা।
‎স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, নাটোর অঞ্চল থেকেই দেশের মোট রসুনের প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ সরবরাহ হয়। চলনবিল এলাকার বর্ষার পানিতে জমিতে জমা হওয়া উর্বর পলি মাটি এই অঞ্চলে রসুন উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। উৎপাদনের পরিমাণ বেশি হওয়ায় লক্ষ্মীকোল, রয়না ভরত হাট, মেরিগাছা ও মৌখাড়া হাটসহ আশপাশের এলাকায় মৌসুমি রসুনের হাট বসে।
‎কিন্তু চলতি মৌসুমে বাজারে রসুনের দাম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না থাকায় চাষিদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সার, বীজ ও শ্রমের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেলেও উৎপাদিত রসুন বিক্রি করে সেই খরচ তোলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।বাটোরা গ্রামের চাষি মোঃ মনু মিয়া জানান, উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেশি হলেও বাজারে সেই অনুপাতে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এতে পরিবার পরিচালনা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। গোপালপুর এলাকার কৃষক মোঃ সেন্টু বলেন, গত বছরের লোকসানের পরও আশার কথা ভেবেই চাষ শুরু করেছিলেন তারা, কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সেই আশাকে নড়বড়ে করে দিয়েছে।ভরতপুর গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দিন ও নূর মোহাম্মদের ভাষ্য, এই এলাকার মাটি ও জলবায়ু রসুন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হলেও ন্যায্য মূল্য না পেলে কৃষকদের পক্ষে চাষ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।চাষিদের অভিযোগ, বাজার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা এবং সরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে তারা বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। দ্রুত বাজার সম্প্রসারণ ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা না গেলে আগামী মৌসুমে অনেক কৃষক রসুন চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।রসুন চাষিদের প্রত্যাশা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়ে এই খাতকে সুরক্ষার আওতায় আনবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট