1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
মিঠাপুকুরে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আরিফুল হক সুবেল প্রধান এর নির্দেশনায় টঙ্গীর ৪৩ নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা   মর্ণিং স্টার কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাই স্কুল ফকিরের বাজার বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালিত গোমস্তাপুরে বিএনপির নারী কর্মী সমাবেশ এনায়েতপুরে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  চট্টগ্রাম মীরসরাই উপজেলায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিল  ফাঐ হাই স্কুল মাঠে বিএনপির বিশাল জনসভা নান্দাইলে খাল খননের দাবিতে ছেতরা বিলপাড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ৪৭ নওগাঁ ২ আসনের পত্নীতলার আকবরপুরে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত শার্শা উপজেলার অন্তর্গত কায়বা ইউনিয়নের চালিতা বাড়িয়া  স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত  দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন শ্রীপুর বাজার ,উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ভিডিও সংবাদ 👇👇

মিঠাপুকুরে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

মো:সজল  সরকার  মিঠাপুকুর ( রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের মিঠাপুকুরে বাঁশের বেড়া দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করায় ১৫ দিন ধরে অবরুদ্ধ একটি পরিবার। এতে নিজ বাড়িতে প্রবেশ করতে না পেরে এক বৃদ্ধা এবং দুই শিশু সহ পাঁচজন মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল   বৃহস্পতিবার  মিঠাপুকুর উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের পূর্ব  গেনারপাড়া গ্রামে গিয়ে এ ঘটনা দেখা যায়। ১৫ দিন থেকে এই পরিবারের বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ থাকায় পরিবারটি অবরুদ্ধ রয়েছে। ভুক্তভোগী বৃদ্ধা জানান , তার স্বামী মাজেদ মিয়া মারা যাওয়ার পূর্বে পূর্ব- গেনারপাড়া মৌজায় তার ভোগদখল কৃত সম্পত্তি থেকে ছেলে এরশাদ মিয়া এবং তাকে ৬.৫০ শতাংশ করে মোট ১৩ শতাংশ জমি সমবন্টন মূলে হেবা দলিল করে দেন। অভাব অনাটনের কারনে বৃদ্ধা তার প্রাপ্ত ৬.৫০ শতাংশ বসত ভিটা থেকে তার প্রতিবেশী শাহাদাৎ হোসেনের কাছে তিনি ১৯৯৭ সালে ৩ শতাংশ এবং ১৯৯৯ সালে ৩.৫০ শতাংশ জমি পৃথক দলিল মূলে সম্পাদন করেন এবং ছেলের প্রাপ্ত ৬.৫০ শতাংশ জায়গাতে বসবাস করে আসছিলেন। দলিল সম্পাদনের পর শাহাদৎ হোসেন তার ক্রয়কৃত জায়গায় গাছ রোপন করে ভোগদখল করে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ শাহাদাৎ হোসেন, তার লোকজন নিয়ে আকস্মিক এরশাদের বাড়ির সামনে গিয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেন। রাস্তা বন্ধ করার সময় বাস ড্রাইভার এরশাদ জমি দখলে শাহাদাৎ ও তার লোকজনকে বাঁধা দিতে গেলে শাহাদাতের লোকজন এরশাদ এবং তার স্ত্রী মৌ সহ তার বৃদ্ধা মা মাজেদা বেওয়াকে বেধড়ক মারপিট করেন।ভুক্তভোগী এরশাদ মিয়া জানান, আমার বাবা আমাদের জমির দিক উল্লেখ্য করে দেয়নি। অথচ শাহাদাৎ আমার মায়ের কাছ থেকে পুরা জমির দিক সামনে তুলে নকশা করেছে। আর আমি মুল মালিকের কাছ থেকে জমি নিয়েও নাকি যাতায়াতের রাস্তা পাবোনা। এসময় তিনি বাড়ির সামনে শাহাদাতের দেয়া বাঁশের বেড়া দেখিয়ে বলেন, আপনারাই দেখুন? এটা কি মানুষের বিবেক! আমি আমার বাচ্চাগুলোকে নিয়ে কিভাবে বাড়ি থেকে বের হবো। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, শাহাদাৎ এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তার অনেক জায়গাজমি থাকার পরেও তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভুক্তভোগী ওই পরিবারটিকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন।১৫ দিন ধরে পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। এরশাদের স্ত্রী মৌ বলেন, আমরা গরীব মানুষ। শাহাদাৎ এখানে বসবাস করেনা। অথচ অজ্ঞাত কারনে আমাদের বিতাড়িত করার চেষ্টায় লিপ্ত। আমাকে আর আমার স্বামীকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে তবু পুলিশ মামলা নেয়নি। এসময় আহাজারি করে তিনি বলেন,
আমাদের একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই কেঁড়ে নিলে মৃত্যু ছাড়া আমাদের আর পথ খোলা থাকবেনা। অভিযুক্ত শাহাদাৎ জানান, আমি আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেছি। নকশা অনুযায়ী জমির সামনের অংশ আমার। তার দাবি,এরশাদ ও তার মা তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। এজন্য তিনি তাদের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকি তাঁদের তাড়াতে যা করা লাগবে তিনি তাই করবেন বলে জানান। এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আমি থানায় নতুন যোগদান করেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট