
ধামরাই উপজেলায় যাদবপুর গ্রামে-গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ভূমি বা জমি-জমার বিরোধ নিষপ্তি করা হয়।
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঢাকা জেলা প্রতিনিধি ও মোঃ আব্দুল খালেক দৈনিক প্রভাতি বাংলাদেশ ধামরাই উপজেলা প্রতিনিধি
ঢাকার ধামরাই উপজেলার অন্তর্গত ৪ নং যাদবপুর ইউনিয়ন, ৫ নং ওয়ার্ডের ক্রেতা-মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেব ও বিক্রেতা-মোঃ আব্দুল কাদের সাহেব উক্ত জমির মালিক বিক্রেতা- মোঃ আব্দুল কাদের সাহেব ক্রেতা- মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেবের নিকট ৪২ শতাংশের কাতে পূর্ব হতে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রয় করেন,এমনকি মোঃ আব্দুল কাদের সাহেব দলিলও করে দেন, সেই ক্ষেত্রে ৪২ শতাংশের কাতে পূর্ব হতে ২৮ শতাংশ জমির মধ্যে ২০ শতাংশ বুঝিয়ে দেন,বাকী ০৮ শতাংশ বুঝিয়ে না দেওয়ার কারনে দীর্ঘ দিন পরে ক্রেতা-মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেব বিক্রেতার নামে মামলা মোকদ্দমা দায়ের করেন – মোকদ্দমা ধামরাই সিনিয়র সহ ভূমি জজ আদালত মোকদ্দমা (২৭)২০১৫ইং , উক্ত মোকদ্দমা মামলার রায় ক্রেতা-মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেবের পক্ষে ২৮/০৪/২০১৯ ইং, এই মামলায় ডিগ্রি পাওয়ার পরও বিক্রেতা জমি বুঝিয়ে না দিয়ে পায়তারা করেন,উক্ত ০৮ শতাংশ জমির মধ্যে কিছু কাঠ গাছ পালা বপন করেন,এক সময় এই কাঠ গাছ পালা গুলো মোটাতাজা ও অনেক বড় হয়, এ দিকে ক্রেতা-বিক্রেতাকে বার বার গ্রামের মুরুব্বিদের নিয়ে সালিশ করে দেন দরবার করেন,দীর্ঘ সময়ের পর বীর মুক্তিযুদ্ধা জনাব মোঃ আওলাদ হোসেন সাহেবের বাড়ীতে সালিশের আযোজন করা হয়, উক্ত সালিশে সভাপতিত্বে মোঃ আব্দুল কদ্দুস সাহেব ও পরিচালনায় মোঃ আব্দুল ছাত্তার সাহেব কে হাজিরানা মসলিসে সবাই দ্বায়িত্ব দেন, এ সালিশে বিচার বিশ্লেষণ করে জুরিবোর্ড দেওয়া হয়, এবং জুরিবোর্ডের সিদ্ধান্তে কাল ক্রেতাকে- ৪২ শতাংশর কাতে ২৮থেকে ২৪ শতাংশ জমি দেওয়া হবে, এবং গাছপালা দুই জনে অর্ধেক অংশ হারে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে, হাজিরানা মসলিসের সবাই খুশি আনন্দ নিয়ে বাড়ী ফিরেন সভাপতি মোঃ আব্দুল কদ্দুস সাহেব সভার কাজ সমাপ্তি ঘোষনা করেন, পরের দিন জমি-জমা মেপে ক্রেতা-মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেব কে সালিশি অনুযায়ী সবকিছুই বুঝিয়ে দিয়ে উভয় পক্ষকে কুলাকুলি দিয়ে ও ২৪ শতাংশ বুঝিয়ে দিয়ে সবাই যার যার বাড়ী ফিরে যান।