আমজাদ হোসেন মিঠু জেলা প্রতিনিধি , (লৌহজং ,মুন্সীগঞ্জ)
শীতের মিঠে রোদে পদ্মার বিশাল জলরাশির কোল ঘেঁষে এক টুকরো শৈশব যেন ফিরে এসেছিল মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের 'পদ্মা বিলাস'-এ।সারা দেশ থেকে আগত এসএসসি ৯২ ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে আয়োজিত এই মিলনমেলা রূপ নিয়েছিল প্রাণের উৎসবে।পুরোনো বন্ধুদের সান্নিধ্যে এসে স্মৃতিচারণ আর আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে পদ্মাপাড়ের বিশাল প্রাঙ্গণ।স্মৃতির আয়নায় ফিরে দেখা কৈশোরের সেই সোনালি দিনগুলো পেছনে ফেলে আজ সবাই কর্মব্যস্ত নাগরিক জীবনে থিতু হয়েছেন। কিন্তু এই একটি দিন সবার কাছে ছিল কেবলই ‘বন্ধুত্বের’।সুদূর অতীত আর বর্তমানের মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছিল এক আবেগঘন পরিবেশ। বন্ধুদের জড়িয়ে ধরা, আড্ডা আর হাসি-ঠাট্টায় সময় গড়িয়েছে দ্রুত।সারাদিনব্যাপী চলে গান-বাজনা, হইহুল্লোড় আর বাহারি পদের আহার।এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সফল করতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন একটি শক্তিশালী আয়োজক কমিটি। অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক এ হানিফ ও আলম মৃধা জানান, "বন্ধুদের একত্র করতে পারার মধ্যেই আমাদের তৃপ্তি। তাদের সাথে আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তৌফিক বুলেট, রয়েল সর্দার,পলাশ জমাদার, আব্দুল কাদির শামীম, হাসান জুয়েল, লিজা আক্তার সাইক্লোন, কামরুল হাসান, সাধু মুল্লা, তাজুল ইসলাম, ফারুক হোসেন ও উৎসবসহ নাম না জানা আরও অনেক বন্ধু। তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সহযোগিতায় পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আনন্দময়।সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে বন্ধুরা আসতে শুরু করেন অনুষ্ঠানস্থলে।পরনে ছিল মিল রাখা রঙিন পোশাক, হাতে আড্ডার রসদ।স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে অনেকে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।পদ্মার পাড়ের খেলার মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি যেন এক বৃহত্তর ভ্রাতৃত্বের মঞ্চে পরিণত হয়েছিল।সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে দিনের আয়োজনের। তবে ফেরার সময় সবার চোখেমুখে ছিল সেই পুরোনো চিরচেনা হাসি আর হৃদয়ে ছিল পরবর্তী মিলনমেলার অধীর অপেক্ষা। বন্ধুদের ভাষায়,পথ হারাবে না এই ৯২-এর বন্ধন, আমরা আছি এবং থাকব একে অপরের পাশে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬