
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
সামাজিক ও মানবিক কাজে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিল সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এডুকেশন
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম চোখধন-কে মানবাধিকার সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এডুকেশন-এর উদ্যোগে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।উপজেলার মঙ্গলকান্দি বাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত “সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে মানবাধিকার বাস্তবায়নের গুরুত্ব” শীর্ষক আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনার। প্রধান বক্তা ছিলেন ফেনী জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস মিতা।সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মাননাপ্রাপ্ত সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম চোখধন এবং সমাজসেবক হুমায়ুন কবির। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে মানবাধিকার বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি।
রফিকুল ইসলাম চোখধনের মতো সমাজসেবকরা মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলাম চোখধন মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের আশরাফ আলী মিয়াজী বাড়ির (নুরুল আলম কোম্পানির নতুন বাড়ি) কৃতি সন্তান। তিনি বকসি পাটোয়ারী জামে মসজিদ ও সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।পাশাপাশি তিনি মেসার্স রফিক এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও ক্রীড়া সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে আর্থিক ও নৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছেন।সম্মাননা গ্রহণকালে রফিকুল ইসলাম চোখধন বলেন,নিজের সামর্থ্যের মধ্যে মানবিক কাজে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। মানুষ হিসেবে এটিই আমার সবচেয়ে বড় স্বার্থকতা।বিনিময়ে সম্মান বা স্বীকৃতি পাওয়াই আমার লক্ষ্য নয়। তারপরও সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এডুকেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন আমাকে যে সম্মাননা দিয়েছে, তার জন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।অনুষ্ঠান শেষে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও মানবাধিকার সচেতনতা ও সামাজিক উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।