1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
মেসার্স বুশরা ব্রিকস, নিয়ম  ভেঙ্গে তার নিজস্ব নিয়মেই চলছে।মানছেনা কোনো ধরনের প্রচলিত আইন - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৩ শ্রমিকের কারাদণ্ড রংপুর বিভাগে অনির্দিষ্টকালের জ্বালানি ধর্মঘট সরবরাহ স্থবির নবম–দশম গ্রেডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে চাকরির সুযোগ এসেড হবিগঞ্জ কর্তৃক এনরিচ (ENRICH) প্রকল্পের আওতায় কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ (Farmers’ Exposer Visit) অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের রণকৌশল নির্ধারণ ডা. শফিকুরের সভাপতিত্বে বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা আরব আমিরাত-বাহরাইনসহ তিন দেশে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ফুলবাড়ীয়ায় ছেলে ও নাতির হাতে বৃদ্ধ নি/হ/ত ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ লোহিত সাগরে হুথি আতঙ্কে সতর্ক অবস্থানে ইইউ নান্দাইলে ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশনের মানবিক যাত্রা শুরু, অসহায় আজিজুল হকের পাশে সহায়তার হাত ১৪ এপ্রিল থেকে কৃষিকার্ড বিতরণ শুরু ডা. জাহিদ হোসেন প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধান পাবেন ‘ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ড সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ভিডিও সংবাদ 👇👇

মেসার্স বুশরা ব্রিকস, নিয়ম  ভেঙ্গে তার নিজস্ব নিয়মেই চলছে।মানছেনা কোনো ধরনের প্রচলিত আইন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

মো: ইমরান মিয়াজেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী জেলা

প্রো:মনিরুজ্জামান লিটু।জামুরা লাউকাঠী পটুয়াখালী  ইটভাটা গুলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। ইটভাটা গুলো নিম্ন  মানের চিমনি ও নিষিদ্ধ লাকরি,ব‍্যবহার করে ইট পুড়িয়ে যাচ্ছে যার ফলে পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে,কিছু ইটভাটার ম‍্যানেজার সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের পরিবেশের ছাড়পএ সহ সকলধরনের লাইনেন্স আপডেট আছে কি-না তারা সঠিক কোন জবাব দিতে পারে নি।তার বিপরিতে সমন্নয়ক সালমান এর নাম উল্লেখ করেন।তাদের কাছে পরিবেশ বা প্রশাসন এর কোন লোক আসে কি-না জানতে চাওয়ায়,তারা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বা কর্মচারী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা বা কর্মচারী কেউ  ইটভাটা গুলো ভিজিট করে নাই। ভিজিট করা ছাড়া কিভাবে ইটভাটা গুলোকে  ছাড়পএ দিল?শিশু শ্রমিক দের প্রসঙ্গে কথা বললে তারা বলে অল্প টাকায় পাওয়া যায় তাই মালিক পক্ষ তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এই ভাটাগুলোতে ইট তৈরির কাজে কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) এবং নদীর চরের মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, উপকূলীয় এলাকায় এভাবে মাটি খননের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যার প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ভাটার কালো ধোঁয়া এবং ধুলাবালি এলাকার প্রাণ-প্রকৃতিকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।স্থানীয়দের অভিযোগ,  এই ভাটা গুলতে নিম্ন মানের  চিমনি  দিয়ে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া সরাসরি লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এবং  এই ইটভাটা গুলোয় মালবাহী ট্রলি চলার কারনে সাধারন জনগনের চলাচলের রাস্তা নষ্ট করছে এতে বর্ষা এবং শূস্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারনে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।এছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুস সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এখন চরমে।ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী নদীর তীর ও সরকারি জমিতে ইটভাটা স্থাপন দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও এই প্রতিষ্ঠানগুলো  তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ জনগণ এই অবৈধ ও জনস্বার্থ বিরোধী কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট