
মোঃ বায়েজিদ হাসান চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চের স্থগিতাদেশর ফলে চূড়ান্ত আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম–২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচনী ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা যাবে না।৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার চূড়ান্ত আপিল শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৮ এপ্রিল ২০২৬।এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার লিজিংয়ের দায়ের করা একটি আপিল আদেশের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে।ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থিতা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে গত ১৯ জানুয়ারি তিনি হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন (নং–১০৫৩/২০২৬) দায়ের করেন।অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ফটিকছড়ির মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ।আজ ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন এসব কথা বলেন।গণসংযোগ চলাকালে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব জনসমাগম। মানুষের উপচে পড়া ভিড়, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও অকৃত্রিম সমর্থনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে—ফটিকছড়ির মানুষ এখন উন্নয়ন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।এ সময় অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন। তিনি বলেন,মানুষের এই ভালোবাসা ও আস্থা আমাদের জন্য এক বড় দায়িত্ব। ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমরা আগামীর ফটিকছড়ি গড়ে তুলতে চাই।গণসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা ইউছুপ বিন সিরাজ, উপজেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি নবীর হোসেন মাসুদ, উপজেলা শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি আব্দুর রহিমসহ আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি, সেক্রেটারি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।