1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “দপ্তরী কাম প্রহরীর সাথে চলছে বৈষম্য - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা নি/হ/ত ৫ জনের বাডি নোয়াখালী সেনবাগে লালমোহনে গলায় ফাঁ/স দিয়ে ২ সন্তানের জনকের আ/ত্ম/হ/ত্যা। solta Super দুই নম্বর লবন বিক্রির বি/রু/দ্ধে অ/ভি/যো/গ। মা ২৬শে মার্চ ২০২৬- এ রাজবাড়ী ফেরীঘাটে বাস ডুবির ঘঠনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল জাব্বার খানঃ চাঁদমুহা সরলপুর যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “দপ্তরী কাম প্রহরীর সাথে চলছে বৈষম্য

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

আব্দুল ওয়াহাব, স্টাফ রিপোর্টার

সারা বাংলাদেশে ৩৭ হাজার দপ্তরী কাম প্রহরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ করে আসছে। তাদের দিন রাত ডিউটি করতে হচ্ছে। তাদের নেই কোন নৈমিত্তিক ছুটি, তারা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আন্ডারে চাকরি করে। ১২ই ফেব্রয়ারি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভোটের ডিউটি করে সন্মানী পাচ্ছেন ৪-৫ হাজার টাকা, আর একজন দপ্তরি ভোটের আগের দিন বিদ্যালয় পরিস্কার করে দেয়, ভোটের দিন তারা সহযোগিতা করে এবং পরের দিন আবার বিদ্যালয় পরিস্কার করতে হয়। তাদের নেই কোন সন্মানি ভাতা, এটা কি বৈষম্য নয়।তাদের কি কোন আশা নেই যে আমরাও কিছু টাকা সন্মানী পাবো।আজও সেই ১৪৪৫০/১৬,১৩০ টাকার চাকরি , একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী।কাগজে-কলমে সরকারি স্কুল,
কিন্তু তাদের জীবনটা সরকারি নয়। বেতনের খাতা খুললেই ভয় লাগে ১৪৪৫০/১৬,১৩০ টাকা দিয়ে শুরু হয় মাস,শেষ হয় ঋণ দিয়ে।একটি ছয় সদস্যের পরিবার— মা-বাবা, স্ত্রী সন্তান ও ভাই-বোন সবাই নির্ভর করে এই টাকার উপর।পড়াশোনার খরচ, ওষুধের খরচ, চাল-ডাল-তেল, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি সব মিলিয়ে মাসের মাঝা মাঝিতেই পকেট শূন্য।মাথা ঋনের বোঝায় ভরে যায়, লোকজন বলে“তুমি তো সরকারি চাকরি করো!”একজন দপ্তরি হাসেন। এই হাসির ভেতরে কত অপমান,কত কান্নাকেউ জানে না।সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা তাদের চাকরিটা আউটসোর্সিংয়ের অস্থায়ী চাকরি।একজন দপ্তরি মারা গেলে স্ত্রী সন্তানদের নাই কোন ভবিষ্যৎ। একজন দপ্তরি ১০–১২ বছর কাজ করেছেন,কিন্তু বেতন বাড়েনি, চাকরি স্থায়ী হয়নি, ভবিষ্যতের কোনো নিশ্চয়তা নেই ঈদ আসে, পূজা আসে সবাই বোনাস পায় একজন দপ্তরি  পায় শুধু দীর্ঘশ্বাস। কিন্তু বুকের ভেতর জমে থাকাএই কান্না,অবশেষে উপায় না পেয়ে করতে হয় আত্মাহত্যা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট