1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
বাঞ্ছারামপুরে সাংবাদিক সম্মেলন - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা নি/হ/ত ৫ জনের বাডি নোয়াখালী সেনবাগে লালমোহনে গলায় ফাঁ/স দিয়ে ২ সন্তানের জনকের আ/ত্ম/হ/ত্যা। solta Super দুই নম্বর লবন বিক্রির বি/রু/দ্ধে অ/ভি/যো/গ। মা ২৬শে মার্চ ২০২৬- এ রাজবাড়ী ফেরীঘাটে বাস ডুবির ঘঠনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল জাব্বার খানঃ চাঁদমুহা সরলপুর যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

বাঞ্ছারামপুরে সাংবাদিক সম্মেলন

রিপন সরকার বাঞ্ছারামপুর 
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

রিপন সরকার বাঞ্ছারামপুর 

আজকের প্রেস ব্রিফিং প্রধান বক্তা গণসংহতি ও বিএনপির জোট প্রার্থী জুনায়েদ সাকি বলেন, অবাধ অংশীদারিত্বমূলক লড়াই করেছি। মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছি। বিগত তিন নির্বাচনের অভিজ্ঞতার পরে আমরা আমাদের লড়াইয়ের যে প্রাসঙ্গিকতা, আমাদের লড়াইয়ের যে বাস্তবতা, সেটাই আজকে মানুষের সামনে এল। এবং সে কারণেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ লড়াই, সংগ্রাম, অনেক অত্যাচার, অনেক নির্যাতন, অনেক গুম-হত্যা—এই সবকিছু সহ্য করেছে এই জনপদ।

এবং সেই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে জমিন তৈরি হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আন্দোলন। এই জমিনের ওপর দাঁড়িয়ে বাঞ্ছারামপুর। এই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের হাজারো শহীদ প্রাণ দিয়েছে। এবং বাঞ্ছারামপুরেও আমাদের শহীদেরা প্রাণ দিয়েছে। ২০২২ সালে ছাত্রদলের নয়ন তাকে হত্যা করা হয় বাঞ্ছারামপুরে। এরপরে জুলাই-আগস্টে বাঞ্ছারামপুরে চারজন শহীদ শাহাদাত বরণ করেছেন।

আসলে আমরা সবাই রক্তের ঋণে আবদ্ধ। আমরা সবাই রক্তের ঋণে আবদ্ধ। এই গণঅভ্যুত্থানের আগে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রাম বহু মানুষ তাদের জীবন দিয়ে বাংলাদেশে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছে। এবং এইটা এখন আমাদের সকলের দায়িত্ব। বাংলাদেশকে আমরা যদি সামান্য রক্তের বিনিময়েও আমাদের কোনো রকম অঙ্গীকার থাকে, তাহলে আমাদের এটা সকলের দায়িত্ব একটা সুষ্ঠু, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।

এবং বাঞ্ছারামপুরে এই কথাটা আমরা শুরু থেকেই বলেছি। আমাদের গণসংযোগ যখন করেছি, প্রতিটি এলাকায় আমরা বলেছি যে একটি ভোটও কোনোভাবে যাতে জালিয়াতি না হয়। আমরা নিজেরা সেটা করব না, আমরা অন্য কাউকে করতে দেব না। জনগণকে আমরা সচেতন করার চেষ্টা করেছি যে এখানে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং সবাই যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থাটা আমরা গড়ে তুলছি।

এবং আমি বলব যে আমাদের গণসমহতি আন্দোলনের নেতাকর্মী যারা আছেন, বিএনপি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল এবং এই উপজেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সর্বস্তরের, তারা যেভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছে এবং তারা যেভাবে জনমত তৈরি করেছে, সমর্থক এবং ভোটারদের মধ্যে পুরোপুরি তারা এই একটা সুষ্ঠু, অবাধ এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে। কেননা এইবারে মানুষের ভোটে আমরা একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোক—এইটা তাদের দিক থেকে যে আন্তরিকতা প্রকাশ করা হয়েছে, সেটার জন্য ধন্যবাদ জানাই। এবং এইটা যে রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সমস্ত জনপদকে উপলব্ধি করতে হয়েছে, সেটাই একটা বড় অর্জন আমাদের লড়াইয়ের। কিন্তু আমরা দুর্ভাগ্যবশত দেখতে পাচ্ছি যে নানা ধরনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা সারা দেশ জুড়ে আছে, সে বিষয়ে আলাপ-আলোচনা আছে। আমরা দেখলাম গত দুই দিনের মধ্যে হঠাৎ করে পরিস্থিতি যেন একটা অবনতি ঘটানোর একটা পরিকল্পিত চেষ্টা। গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন প্রার্থীরা বিভিন্ন জায়গায় বলছেন যে তারা ভোট দখল কিংবা ভোট কারচুপি ঠেকানোর জন্য সবাইকে তারা বাঁশের লাঠি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে বলেছেন। এটা আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে সমকালসহ বেশ কিছু নিউজে এসেছে।

এবং আমরা এটাও বলব যে গতকালকে আমরা দেখেছি যে বাঞ্ছারামপুরে একটা অটোতে করে বেশ কিছু বাঁশ, বেশ কচি বাঁশ তারা কেটে নিয়ে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় সেগুলো তারা সাপ্লাই দিচ্ছেন, জমা করছেন। যাতে করে অনেকগুলো কেন্দ্রে এই ধরনের একটা বাঁশের লাঠি নিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা যায়। এবং সেই অটোটি যখন আটকানো হয় বাঞ্ছারামপুর থানায়, তখন জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতা, যার ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা সম্ভবত, তাকে ছাড়ানোর জন্য জোর চেষ্টা চালিয়েছেন। তার মানে এটা স্পষ্ট যে এখানে একটি দল যারা আমাদের প্রতিপক্ষ, তারা এখানে খুবই পরিকল্পিতভাবে ভোটকেন্দ্রে একটা এই ধরনের বাঁশের লাঠি বা নানা ধরনের… আমরা এরকমও শুনছি যে আরও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র তারা জমা করছেন এবং সেগুলো ভোটকেন্দ্রে তারা সেই ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। আমরা মনে করি যে এটা খুব বিপজ্জনক একটা জায়গা, যা চরম রকম উসকানিমূলক। এবং এটা একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা এখানে প্রতিটি মুহূর্তে বলছি যে ভোটকেন্দ্র আমাদের এমনভাবে… ভোটকেন্দ্রে আমাদের সমস্ত নেতাকর্মী থাকবে যাতে করে নির্ভয়ে বাঞ্ছারামপুরের প্রতিটি ভোটার নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন এবং ভোট দিতে পারেন। এবং ভোট আপনি যাকে দিবেন, সেই জনতার ভোটেই এখানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে। জনগণ যদি আমাদের পছন্দ করেন আমরা বিজয়ী হব, জনগণ যদি অন্য কাউকে পছন্দ করেন তারা বিজয়ী হবে—এইটাই তো স্বাভাবিক। এবং এইটাই আমরা গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত আছি। এখন আমরা যেহেতু বিশ্বাস রাখি যে জনগণের ব্যাপক জনসমর্থন আমাদের আছে, আমরা ভোটকেন্দ্রে কী কারণে কোনো ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করব? বরং আমরা চাইব, আমরা শতভাগ চাইব যে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন এখানে হোক। কিন্তু এই ধরনের চেষ্টা করা যে ভোটকেন্দ্রে ভোট দখল হয়ে যাবে এরকম একটা আগাম আওয়াজ তুলে একটা উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরি করে একটা অস্থিতিশীল জায়গা তৈরি করা, তারপর একটা নিজেদের সিমপ্যাথি তৈরি করা অথবা ভোট বাঞ্চাল কিংবা ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

ফলে আমরা এই অভিযোগটা আনুষ্ঠানিকভাবে যেমন দিচ্ছি, তেমনি আমরা জনগণকেও অবহিত করছি যে আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্যই আমাদের এখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেমন কাজ করছেন, আমাদের গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা যারা আছেন তারাও কাজ করছেন। এবং আমরা জনগণকেও এ ব্যাপারে কন্টিনিউয়াসলি সচেতন করছি। যখন দেশের জনগণ সচেতন হবেন তখনই তো দেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। জনগণ ছাড়া তো কেউ কতিপয় ব্যক্তি মিলে গণতন্ত্র কায়েম করতে পারবে না। ভোট গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আমরা দেখেছি এই ভোট ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে বাংলাদেশকে কীভাবে বিভক্ত করা হয়েছিল। এবং এই বিভক্তির সুযোগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর কীভাবে বিদেশিরা কর্তৃত্ব কায়েম করেছে।

বেগম খালেদা জিয়া, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, তিনি এইটা ৭ই আগস্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন যে কীভাবে এখানে প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার রাজনীতি বর্জন করে একটা মেসেজটা করেছিলেন। সেই এখানে একটা ঐক্যের রাজনীতি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেছিলেন। সেইটা বাংলাদেশে এখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা সেই নির্দেশনা নিষ্ঠার সাথে অনুসরণ করছেন। আমরা এর প্রশংসা করব না, বরং আমরা মনে করি যে এটা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য ইতিবাচক এবং আমরা একটা রাইট ডিরেকশনের মধ্যে যাচ্ছি।

সেখানে এই উসকানিগুলো যেখানে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামীর মতো অন্যান্য দল তাদের জোট যেমন ছিল, এখানে অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি তারাও যেমন ছিলেন, আমরা যুগপৎ আন্দোলনে উচ্চকণ্ঠ ছিলাম। আমরা সবাই লড়াই করেছি ভোটের অধিকারের জন্য। কাজেই ভোটকে বাঞ্চাল করা অথবা প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো ধরনের তৎপরতা এই বাঞ্ছারামপুরের জনগণ এবং সারা দেশের জনগণ গ্রহণ করবে না। ১৭ বছর পরে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছে, এইটা আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। এবং এই ভোট কেবল একজন সংসদ সদস্য বাছাই করার জন্য নয়, এই ভোট আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ভোট হবে।

এবং জনগণ এই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে আগামী সংসদকে জুলাই-আগস্টের জনমতের ভিত্তিতে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার করার ক্ষমতা অর্পণ করবে। যে কারণে এটার নাম হবে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংসদ’। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। এই যে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় একটা তরুণ পর্ব গণতন্ত্রের জন্য, এরকম একটা জায়গায় ভোটকে বাঞ্চাল অথবা প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো তৎপরতা পুরো বাংলাদেশের অস্তিত্বের পরিপন্থী। কাজেই আমরা এটা পরিষ্কার করে আহ্বান জানাব সকল রাজনৈতিক দল এবং সকল প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি যে আপনারা আসুন আমরা সবাই মিলে একটা সুষ্ঠু ভোট করার জন্য… আমরা জনগণের ওপর ভরসা রাখি। জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন সেই ফলাফল আমরা গ্রহণ করব।

ইতিমধ্যে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আমরা খবর পেয়েছি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর তালিকা যেখানে এই ধরনের কর্মকাণ্ড করার পরিকল্পনা আছে এবং সেটা আমরা আমাদের জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আমরা এটা জানাতে চাই, জানাচ্ছি। এবং যাতে করে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে পারেন। কোনো শক্তি যেন নানা ধরনের পেশী শক্তিকে নিজেদের সাথে যুক্ত করে যদি এই অস্থিতিশীলতার কোনো চেষ্টা করে, এটা যেন মানুষ রুখে দেয়। গতকালের যে ঘটনা আমরা বললাম, বাঁশসহ আটক করা হয়েছে জামায়াত নেতাকর্মীকে। আমি নামগুলো বলছি, আপনারা লিখে নেন।

কানাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কানাইনগর এস.আর.ডি.এস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাঞ্ছারামপুর উজানচর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, উজানচর বাঞ্ছারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোরারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দরিয়াদৌলত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আইনুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পাহাড়িয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সারংপুর দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দরিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মনাখালী হাজী মফিজুদ্দিন সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পাইকারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হায়দারনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাদরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই কয়েকটি কেন্দ্রকে আমরা প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছি। আমরা চেষ্টা করছি সেখানকার জনগণকে সংগঠিত করার যাতে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ থাকে। এবং আমরা হয়তো আগামীকালের মধ্যে আবার আমাদের রিভাইজড তালিকা দেব যে আমরা কোনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি।

কেননা আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি, আমরা নিশ্চয়ই বিজয় প্রত্যাশা করি, কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা। এইটার জায়গার জন্যই আমরা জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করছি। আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হন। আমরা চাই বাঞ্ছারামপুরে অবস্থান করছেন অথবা ভোট দিতে যারা আসছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এমনকি বিদেশ থেকে প্রচুর মানুষ এসেছেন—তারা যেন একটা উৎসবের আমেজে আনন্দ নিয়ে ভোট দিতে পারেন।

রাষ্ট্র মেরামতে তারা ভূমিকা রাখতে পারেন এবং এর মধ্য দিয়ে আমরা একটা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে পারি। গণতন্ত্র যেখানে বিরোধ থাকবে কিন্তু আমরা একই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশীদার—সেই জায়গাটাতে আমরা দাঁড়াতে চাই। এবং এই জায়গায় দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই কিন্তু আমরা কাজ করছি। এবং এ ব্যাপারে আমাদের অঙ্গীকার, আপনারা যদি রাজনৈতিক ট্র্যাক রেকর্ড দেখেন, আমরা দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই জায়গায় এসেছি।

ফলে যেনতেন প্রকারে কোনো ইলেকশন জয় করার লক্ষ্য বিএনপি এবং গণসংহতিসহ আমাদের যে ৩৯ দলীয় যুগপৎ জোট তাদের নেই। দেশকে বাঁচাতে নির্বাচন দরকার। এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্টভাবে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তা বলছেন। আমরা মনে করি আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট