মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ-সম্পাদক
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলোচিত ও হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে পরিচিত হলেও শেষ পর্যন্ত নিজের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি নাগরিক ঐক্য-এর প্রার্থী হিসেবে ‘কেটলি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৪২৬ ভোট লাভ করেন।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-২ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সে হিসেবে এই আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু মান্না পেয়েছেন মোট বৈধ ভোটের প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ, যা প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় অনেক কম। ফলে তিনি জামানত হারান।
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ছিল, আসনটি জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে মান্নাকে ছেড়ে দিতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে শেষ পর্যন্ত দলটি নিজস্ব প্রার্থী হিসেবে মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয়। জোটগত সমঝোতা না হওয়ায় নাগরিক ঐক্যের ব্যানারে নিজস্ব প্রতীক ‘কেটলি’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন মান্না।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসনটিতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণ ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। এর ফলে প্রত্যাশা অনুযায়ী ভোট টানতে ব্যর্থ হন মান্না।উল্লেখ্য, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনটি উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আসন হিসেবে পরিচিত। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে এ আসনে বড় দলগুলোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেছে। এবারের নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬