
প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধাই হোক রাজনীতির ভিত্তি
এম,এ,মান্নান,স্টাফ রিপোর্টার,নিয়ামতপুর (নওগাঁ)
“কেউ কারো শত্রু নয়, একসাথে গড়ব দেশ” — এই চেতনা থেকেই প্রকৃত গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটে। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতাই হওয়া উচিত রাজনীতির মূল ভিত্তি।
নওগাঁ–১ (নিয়ামতপুর–পোরশা–সাপাহার) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এ নির্বাচিত প্রতিনিধি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান একজন ন্যায়পরায়ণ, মানবিক ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের দুঃখ–কষ্টে পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। রাজনীতিকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখলেও শত্রুতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখেন না।
সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল আলম-এর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে যান। রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও এই সাক্ষাৎ প্রমাণ করে যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যই হতে পারে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভিত্তি। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এ ধরনের আচরণ আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়—ভিন্ন মত মানেই বিরোধ, কিন্তু তা কখনোই ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নয়। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ কেবল ক্ষমতার অধিকারী নন, তিনি মানবিক মূল্যবোধ ও সহমর্মিতার ধারকও।
আসুন, আমরা সকলে দল–মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করি। কারণ, প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব তখনই, যখন আমরা একে অপরকে প্রতিপক্ষ নয়, সহযাত্রী হিসেবে বিবেচনা করি।