
আমজাদ হোসেন মিঠু জেলা প্রতিনিধি , মুন্সিগঞ্জ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে মুন্সিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। বিশেষ করে মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক জোরালো দাবি উঠেছে মুন্সিগঞ্জের এই মাটি থেকে এবার মন্ত্রী চাই।আর এই মন্ত্রিত্বের দাবিদার হিসেবে যার নাম জনমুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।নির্বাচনী প্রচারণা থেকেই মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের জনগণের মধ্যে একটি প্রত্যাশা ছিল যে, ধানের শীষের এই শক্তিশালী ঘাঁটি থেকে এবার সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিনিধি থাকবে। স্থানীয় জনগণের মতে,মুন্সিগঞ্জ সব সময় বিএনপির রাজনীতির জন্য একটি উর্বর ভূমি এবং এই আসনের মানুষ দলকে বড় ব্যবধানে জয়ী করে তাদের আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুন্সিগঞ্জবাসী তাদের প্রিয় নেতা শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে আসন্ন মন্ত্রিসভায় দেখতে চায়।শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ একজন সফল ব্যবসায়ী এবং এলাকার উন্নয়নে দীর্ঘকাল ধরে কাজ করে আসছেন।তিনি আল-মুসলিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য।স্থানীয়দের ভাষ্যমতে: তিনি তার এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ গড়তে অঙ্গীকারবদ্ধ।বেকারত্ব দূরীকরণে মুন্সিগঞ্জে ইপিজেড (EPZ) নির্মাণের রূপকল্প দিয়েছেন তিনি।দলের দুঃসময়ে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করেছেন।শ্রীনগর ও সিরাজদিখানের সাধারণ ভোটারদের দাবি, মুন্সিগঞ্জ থেকে একজন মন্ত্রী থাকলে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশেষ করে চরাঞ্চল ও অবহেলিত জনপদগুলোর আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে।মুন্সিগঞ্জের দাবি—আবদুল্লাহকে মন্ত্রী হিসেবে চাই এমন স্লোগানে বর্তমানে সরগরম স্থানীয় চা-দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে এটি যেমন মুন্সিগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে, তেমনি জেলার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক উন্নয়নেও তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।এখন দেখার বিষয়, জনগণের এই ‘প্রাণের দাবি’ কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের বিবেচনায় কতটুকু স্থান পায়।