এনায়েতপুরে নানাপদের ইফতারির জমজমাট বেচাকেনা
ইছাহাক হোসেন,, শাহজাদপুর বেলকুচি( সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রতি বছরের ন্যায় এবছরে মুসলিমদের মাঝে আবার ফিরে এসেছে সিয়াম-সাধনা ও আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র মাহে রমজান। আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুসলমান নারী পুরুষ উভয় রোজা রাখেন। আর পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দিনেই এনায়েতপুর থানা সদর এলাকা জুড়ে ইফতারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
দুপুর হলেই দেখা যায় থানা সদরের মেইন রাস্তার দু পাশে ও বিভিন্ন গলির গুরুত্বপূর্ণ জায়গার মোড় ও বাজার এলাকায় অস্থায়ী ও স্থায়ী ইফতার দোকান সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। বিকেল গড়াতেই ক্রেতাদের ঢল নামে, ফলে অনেক জায়গায় সৃষ্টি হয় যানজট ও জনসমাগম।
হাট জামে মসজিদের সামনে, আমতলা, রিয়া মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে, আলহেরা মার্কেট, কেজির মোড়, ভূঁইয়ার হাট,আরকান্দি বাজার, সহ এনায়েতপুর এলাকায় বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী ইফতারের দোকান। এসব দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দোকানগুলোতে জনপ্রিয় আইটেম কিনতে বিত্তবান মানুষদের দেখা গেছে।
এ ছাড়াও ছোলা,বুন্দি, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, হালিম, জিলাপি,নিমকি, কলা,লেবু,মাল্টা, আপেল, কোমলা,খেজুর, গোল, মাঠা,আখের রস, ও বিভিন্ন ধরনের শরবতের চাহিদা রয়েছে।
ইফতার কিনতে আসা আব্দুল মমিন বলেন, রোজা মানেই বিভিন্ন আইটেমের খাবার ইফতারে আনন্দ। এটি বলে বোঝানো যাবে না। আমার বাড়ীর সবাই মিলে ইফতার করবো এজন্য কিনতে এসেছি। সব জিনিসই কিছু কিছু করে কিনবো। তবে গত বছরের তুলনায় এবার একটু দাম বেশি। আরেক ক্রেতা মুক্তার হাসান বলেন, রোজা আসলেই ভালো লাগে।প্রথম রোজা থেকে কেনা শুরু করেছি, আজ দ্বিতীয় রোজা জন্য ইফতারের দোকানে এসেছি। ইফতার কিনে পরিবারের সাথে ইফতার করবো এক টি মাস যানো ইফতারি কিনতে পারি। ইনশাআল্লাহ ।
এ ছাড়াও ক্রেতাদের অনেকেই জানান, বাসায় সব ইফতারের আইটেম তৈরি করা সম্ভব হয় না। তাই প্রিয় কিছু খাবার বাইরে থেকে কিনে ইফতারকে বৈচিত্র্যময় করা হয়। তবে কয়েকজন ক্রেতা বাড়তি দামের অভিযোগও করেছেন। তাদের দাবি, কিছু পণ্যের দাম আগের তুলনায় ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে।
কলা বিক্রেতারা, রমজানের দুই দিন আগে কলার হালি ২০থেকে ৩০ টাকা পযন্ত কিন্তু রোজার প্রথম দিন থেকে আজ পযন্ত কলার হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা,লেবু কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, প্রথম রোজা থেকে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা হওয়ায় বিক্রি তুলনামূলক বেশি হয়েছে। অনেকেই পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের জন্য বাড়তি ইফতার কিনছেন। কয়েকজন বিক্রেতা বলেন, গত বছরের তুলনায় কাঁচামালের দাম কিছুটা বেশি হলেও ক্রেতাদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বিকেল ৪টার পর থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে, যা মাগরিবের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
এ দিকে আছর নামাজ থেকে শুরু করে, ইফতারের আগ মূহুর্ত পর্যন্ত ভূঁইয়ার হাট থেকে শুরু করে কেজির মোড় প্রধান সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে এনায়েতপুর হাট জামে মসজিদের সামনের এলাকায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা যায়। পথচারীদের চলাচলেও কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হয়।শুধু রমজান মাসের জন্য নয়,প্রতি নিয়তই এখানে যৌন জীবন চলাচল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, পুরো মাসজুড়েই এমন বেচাকেনা অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬