
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় অভিনব কৌশলে বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটছে। উপজেলার দুর্গাপুর বাজারসংলগ্ন শালগড়িয়া, শ্যামপুর, আলিপুর ও উজান খলশিসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক স্থানে এই চুরির ঘটনা ঘটে।
চোরচক্র বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে মিটার খুলে নিয়ে ঘটনাস্থলে একটি মোবাইল নম্বর ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে। ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা পাঠানোর পর নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে মিলছে চুরি হওয়া মিটার।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে আলিপুর বাজার থেকে দুটি মিটার চুরি হয়—একটি স মিল (কাঠ ফাঁড়া) এবং অপরটি রাইস মিলের। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে একই উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ১১টি থ্রি-ফেজ শিল্প বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়। চুরি হওয়া মিটারগুলোর বেশিরভাগই স্থানীয় শিল্প-কলকারখানার।
ভুক্তভোগীরা জানান, মিটারপ্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দাবি করা হয়। বিকাশে টাকা পাঠানোর পর ফোনে নির্দিষ্ট স্থানের তথ্য দেওয়া হয়, সেখান থেকেই উদ্ধার করা যায় মিটার।
এক ভুক্তভোগী বলেন, “মিটার চুরি যাওয়ার পর যোগাযোগ করলে ৬ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পর একটি স্থান জানানো হয়। সেখানে গিয়ে আমার মিটারটি উদ্ধার করি।”
একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন আয়াতাউর, সেলিম, ওয়াব, রেন্টু ও বুলবুলসহ আরও কয়েকজন।
এ ঘটনায় দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করছি দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।”