
আহমেদ আজম খানকে মন্ত্রী হিসেবে চায় বাসাইল-সখীপুরের জনগণ
আঃহালিম আতিক টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আজম। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে মন্ত্রিসভায় তাঁকে দেখতে চায় টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) এর জনগণ।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন অর রশীদ খান বলেন, আমরা গর্বিত যে, আমাদের দেশনায়ক তারেক রহমান অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে আহমেদ আযম খান ভাইয়ের মেধা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করে তাঁকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে বাসাইল-সখিপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করবেন।
বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ওয়াদুদ হোসেন খান বলেন, আহমেদ আজম সাহেব তৃণমূলের নেতা। সুখে-দুঃখে মানুষ তাঁকে পাশে পায়। আমরা চাই তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান।’
তরুণ উদ্যোক্তা তানভীর ইসলাম রিপন মনে করেন, আহমেদ আজম সাহেবের হাত ধরে টাঙ্গাইলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
নারী সংগঠক সুমনা ইসলাম রিলি প্রত্যাশা করেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আজম সাহেব দায়িত্ব পেলে নারীশিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।
বাসাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর বলেন, শত বছরের পুরনো থানা বাসাইল থেকে আজ পর্যন্ত কেউ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব বা মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পায়নি। দলের দুঃসময়ে এবং নেতাদের পাশে থাকা এডভোকেট আহমেদ আজম খান বাসাইল-সখীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের সেই আশা ও ভরসার প্রতীক। তাকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিলে অবহেলিত এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি ও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। তাই সার্বিক ত্যাগ বিবেচনা করে জননেতা তারেক রহমানের নিকট তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
স্থানীয়দের দাবি, অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন। টাঙ্গাইলবাসীর বিশ্বাস, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আজম সাহেব মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে টাঙ্গাইলের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আহমেদ আযম খান ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর পান ৭৭ হাজার ১৩০ ভোট।