1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
গাইবান্ধায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ৭১ বস্তা ‘সাল্টু’ জব্দ ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নওগাঁর পাঁচ থানায় জ্বালানি সংকটে বিপাকে আম চাষিরা, দ্রুত সমাধানের দাবি ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ সকল বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাল এডভোকেট দিলারা সুলতানা সেতু বাগমারার কৃষকের মাথায় হাত- পিঁয়াজের মণ ২০০ থেকে ২৬০ টাকা,ইতিহাসে তলানীতে দাম রাজশাহীর বাগমারায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা লুটপাট ও মিথ্যা মা/মলা/য় বাড়িছাড়া অসহায় পরিবার, আতঙ্কে দিন কাটছে চকবিষ্ণুপুরে মা/দ/ক ও জোয়ার বি/রু/দ্ধে ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন ঘুষ নিলে ঠিকানা হবে জেলখানা নয়তো পানিতে: মাদারীপুরে এমপি জাহান্দার আলী কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ঢুকে রোগীকে কোপানোর অ/ভি/যো/গ সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

গাইবান্ধায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ৭১ বস্তা ‘সাল্টু’ জব্দ ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা

মোঃ মিজানুর রহমান বাবু গাইবান্ধা
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মিজানুর রহমান বাবু গাইবান্ধা 

সোমবার বিকেলে গাইবান্ধার এনডিসি সাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত ডিবি রোডের জামাই স্টোরে অভিযান চালিয়ে ৭১ বস্তা ক্ষতিকর কেমিক্যাল সাল্টু জব্দ করে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ক্ষতিকর কেমিক্যাল সাল্টু পাউডার জব্দ ও জরিমানার ঘটনা গাইবান্ধা শহরে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনায় জামাই স্টোরের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজের অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকান্ড জনসম্মুখে প্রকাশ হচ্ছে। তিনি প্রথম জীবনে আনসার বাহিনীতে চাকরি করতেন। অবৈধ কাজে জড়িত থাকার দায়ে চাকরি চলে গেলে তিনি শহরের পুরাতন বাজারে একটি গালামালের দোকানে চাকরি নেন। তখন থেকেই সকলের কাছে তিনি জামাই হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আর সেই থেকেই তার উত্থান শুরু।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুরাতন বাজারের একাধিক দোকানদার জানান, জামাই স্টোরের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজ এক সময় আনসার বাহিনীতে চাকরি করতেন। চোরাচালান সংক্রান্ত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করে কর্তৃপক্ষ। চাকরি হারিয়ে তিনি পুরাতন বাজারের মিন্টু মিয়ার দোকানে কর্মচারী হিসেবে চাকরি নেন। এই মিন্টু মিয়াই গাইবান্ধা শহরে প্রকাশ্যে পলিথিন ব্যবসার সুত্রপাত করেন। পলিথিন ব্যবসা সরকার নিষিদ্ধ হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় সেই ব্যবসা অবাধে চলতো। আনসার বাহিনীর চাকরি করার সুবাদে আব্দুল আজিজকে ওইসব সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সম্পর্ক করার দায়িত্ব দেন মিন্টু মিয়া। এই আব্দুল আজিজের পরামর্শেই মিন্টু মিয়া ব্যবসা পরিচালনা করতেন। মিন্টু মিয়া তাকে এতটাই বিশ্বাস করতেন যে, তার কথা ছাড়া পারিবারিক ও ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো কাজই করতেন না। মিন্টু মিয়া তাকে জামাই হিসেবে গন্য করতেন। মিন্টু মিয়া জামাই বলার কারণে সকলেই তাকে জামাই হিসেবে সম্বোধন করতেন। একসময় দোকান কর্মচারী আব্দুল আজিজের পরামর্শেই মিন্টু মিয়া গাইবান্ধায় পলিথিন ব্যাগ তৈরির মেশিন আমদানি করেন। মেশিন বসানো হয় শহরের কুঠিপাড়ায়। এই মেশিন বসিয়ে মিন্টু মিয়া পলিথিন ব্যাগ তৈরি করে গোটা উত্তরাঞ্চল সরবরাহ করতেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট র‌্যাব অভিযান চালিয়ে মেশিন জব্দ ও ব্যবসায়ী মিন্টু মিয়াকে আটক করেন। শেষে আব্দুল আজিজই মিন্টু মিয়ার জামিনের জন্য হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

কর্মচারী হলেও আব্দুল আজিজ ভুল বুঝিয়ে অসৎ পরামর্শ দিয়ে মালিক মিন্টু মিয়ার ব্যবসা থেকে লাখ লাখ টাকা লাভবান হন। পলিথিনের অবৈধ ব্যবসা চালাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিভিন্ন সংস্থা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মিন্টু মিয়ার কাছ থেকে। মূলত আব্দুল আজিজের কূট কৌশলের কাছে হেরে গিয়ে একসময়ের নামকরা ব্যবসায়ী পথে বসেন। এরপর আব্দুল আজিজ জামাই স্টোর নাম দিয়ে আলাদা ব্যবসা শুরু করেন। তিনি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীসহ গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে পলিথিনসহ নানা অবৈধ ব্যবসা চালাতেন থাকেন। শহর ছাড়াও সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাটে তার সব অবৈধ ব্যবসার একাধিক বড় বড় গুদাম রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট