
সদ্য যোগদানকৃত ৪৮তম বিসিএস চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময়, রোগীদের সেবা ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা জোরদারে দিকনির্দেশন।
আজ ২৬/০২/২০২৬ ইং তারিখে ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন ফেনী জেলার মান্যবর সিভিল সার্জন ও তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম। এ সময় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার ৪৮তম বিসিএসে সদ্য যোগদানকৃত চিকিৎসক কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় তিনি নবীন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ বজায় রাখা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা প্রদানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করতে হলে চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির বিকল্প নেই।”
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UHFPO), আরএমও মহোদয়, এমওডিসি মহোদয়সহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চলমান কার্যক্রম ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সিভিল সার্জনকে অবহিত করেন।
মতবিনিময় সভা শেষে সিভিল সার্জন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সমস্যা ও চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা মনোযোগসহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তিনি চিকিৎসাসেবার গুণগত মান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন, পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে উন্নয়নের পরামর্শ দেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতাল কম্পাউন্ডের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল না হলে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তদারকি ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সিভিল সার্জনের এমন আন্তরিক পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতে ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও জনমুখী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবে।
🏥 সেবার মানোন্নয়নে এমন কার্যকর তদারকি স্বাস্থ্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ ও জনগণের আস্থার জায়গায় পৌঁছে দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।