1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
নিজের ৩ মাসের কন্যা শিশুকে অপহরণের নাটক সাজিয়েও পুলিশের জালে আটকে গেলো সুমাইয়া। - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নওগাঁর পাঁচ থানায় জ্বালানি সংকটে বিপাকে আম চাষিরা, দ্রুত সমাধানের দাবি ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ সকল বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাল এডভোকেট দিলারা সুলতানা সেতু বাগমারার কৃষকের মাথায় হাত- পিঁয়াজের মণ ২০০ থেকে ২৬০ টাকা,ইতিহাসে তলানীতে দাম রাজশাহীর বাগমারায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা লুটপাট ও মিথ্যা মা/মলা/য় বাড়িছাড়া অসহায় পরিবার, আতঙ্কে দিন কাটছে চকবিষ্ণুপুরে মা/দ/ক ও জোয়ার বি/রু/দ্ধে ১৩ নং ভবানীপুর ইউনিয়নে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন ঘুষ নিলে ঠিকানা হবে জেলখানা নয়তো পানিতে: মাদারীপুরে এমপি জাহান্দার আলী কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ঢুকে রোগীকে কোপানোর অ/ভি/যো/গ

ভিডিও সংবাদ 👇👇

নিজের ৩ মাসের কন্যা শিশুকে অপহরণের নাটক সাজিয়েও পুলিশের জালে আটকে গেলো সুমাইয়া।

মীর শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার ভোলা।
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

ভোলার সদর উপজেলায় গতকাল
(২৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে নিজের ৩ মাসের কন্যা সন্তানকে অপহরনের নাটক সাজিয়ে শেষ রক্ষা পেলনা মা সুমাইয়া আক্তার (৩০)
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, দক্ষিন চরপাতার বাসিন্দা আঃ রউফ তালুকদারের ৩ মাসের শিশু কন্যা জিন্নাতকে তার স্ত্রী সুমাইয়া টিকা দেওয়ার কথা বলে মালের হাট বাজার টিকা কেন্দ্রে যান । কিছুক্ষণ পর তিনি দাবি করেন যে, দুইজন অজ্ঞাত মহিলা ২০০ টাকার নোট তার হাতে দিলে তিনি অস্বাভাবিক হয়ে যায় এবং তার নিকট থেকে শিশুটিকে নিয়ে যায়। মুহূর্তেই পুরো ঘটনাটি ভোলা জুড়ে আলোচনার জম্ম দেয়।

সোস্যাল মিডিয়ায় সংবাদ প্রাকাশ হওয়ার সাথে সাথেই ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও অফিসার ইনচার্জ ভোলা সদর থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ভোলা সদর থানা ও ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম তাৎক্ষণিক আশপাশ এলাকায় চিরুনি অভিযান ও চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এছাড়া বরিশাল রেঞ্জের বিভিন্ন লঞ্চঘাটসহ ভোলা জেলার ইলিশা লঞ্চ ঘাট থেকে ঢাকাগামী সকল লঞ্চ ঘাটে তল্লাশী অভিযান পরিচলনা করা হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ হেফাজতে সুমাইয়া আক্তারকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দেয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সুমাইয়া আক্তার স্বীকার করেন যে, তার খালা আমেনা বেগমের মেয়ের কোনো সন্তান না থাকায় তিনি স্বেচ্ছায় শিশু জিন্নাতকে দত্তক দিতে রাজি হন। লোকচক্ষুর অন্তরালে বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই তিনি এই ‘অপহরণের নাটক’ সাজিয়েছেন ।

তদন্তের একপর্যায়ে জানা যায় যে, সুমাইয়া আক্তারের খালা আমেনা বেগম শিশুটিকে নিয়ে একই দিন ঢাকার উদ্দেশ্যে দুপুর ২ টার ‘দোয়েল পাখি-১০’ লঞ্চে রওনা হন। সেই সূত্র ধরে পুলিশ তাৎক্ষণিক লঞ্চ স্টাফদের সাথে কথা বলে লঞ্চকর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমেনা বেগম ও শিশুটিকে আটক করেন।

উক্ত বিষয়ে কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হলে কোস্টগার্ড সদস্যরা দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে উপস্থিত হয়ে আমেনা বেগম ও শিশুটিকে তাদের হেফাজতে নেয়।

পরবর্তীতে ভোলা সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম দ্রুততম সময়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় এবং কোস্টগার্ডের হেফাজতে থাকা আমেনা বেগম ও জিন্নাতকে জিম্মায় নিয়ে ভোলায় ফিরিয়ে আনা হয়।

নিখোঁজ শিশু জিন্নাতকে ভোলা সদর মডেল থানার জিডি মূলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকের জিম্মায় প্রদান করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিশু জিন্নাতকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার ও রহস্য উন্মোচন করায় স্থানীয় সাধারণ জনগণ ভোলা জেলা পুলিশের উপর গভীর আস্থা ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট