1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
রাজশাহী নগরীতে বাড়ছে মশার উপদ্রব, বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা নি/হ/ত ৫ জনের বাডি নোয়াখালী সেনবাগে লালমোহনে গলায় ফাঁ/স দিয়ে ২ সন্তানের জনকের আ/ত্ম/হ/ত্যা। solta Super দুই নম্বর লবন বিক্রির বি/রু/দ্ধে অ/ভি/যো/গ। মা ২৬শে মার্চ ২০২৬- এ রাজবাড়ী ফেরীঘাটে বাস ডুবির ঘঠনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল জাব্বার খানঃ চাঁদমুহা সরলপুর যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

রাজশাহী নগরীতে বাড়ছে মশার উপদ্রব, বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

রাজশাহী মহানগরীতে সাম্প্রতিক সময়ে মশার উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সন্ধ্যা নামলেই দলে দলে মশার আক্রমণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন নগরবাসী।বাসাবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এলাকা, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আশপাশ প্রায় সব জায়গাতেই মশার উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।নগরীর সাগরপাড়া, শিরোইল,আলুপট্টি, লক্ষ্মীপুর,মতিহার, উপশহর, কাশিয়াডাঙ্গা ও হেতেমখাঁসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান,গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মশার উপদ্রব ক্রমেই বাড়ছে। সন্ধ্যা নামলেই অসংখ্য মশা ঘরে ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখছেন। এতে একদিকে যেমন গরমের মধ্যে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে ছোট শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিয়মিত ও কার্যকর মশা নিধন কার্যক্রম না থাকায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেকেই জানান, আগে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধনের কার্যক্রম দেখা যেত। কিন্তু বর্তমানে সেই কার্যক্রম খুব একটা চোখে পড়ে না। ফলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মশার উপদ্রব এভাবে বাড়তে থাকলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকলে সেখানে খুব দ্রুত মশার লার্ভা জন্ম নেয়। অপরিষ্কার নালা-নর্দমা, বন্ধ ড্রেন, জলাবদ্ধতা এবং নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশে জমে থাকা পানিও মশার বংশবিস্তার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।নগরীর সচেতন নাগরিকদের মতে, অনেক এলাকায় ড্রেন ও নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়ায় মশার প্রজনন আরও সহজ হয়ে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকে এবং সেই জমে থাকা পানিই মশার উৎপত্তিস্থলে পরিণত হচ্ছে।এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, বছরের এই সময়টিকে সাধারণত মশার প্রজনন বা ব্রিডিং সময় হিসেবে ধরা হয়। এ সময় মশা দ্রুত বংশবিস্তার করে। ফলে নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও পুরোপুরি মশার উপদ্রব কমানো অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। সূত্রটি আরও জানায়, শুধু ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন করলে তা সাময়িকভাবে মশার সংখ্যা কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় না।সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মশা নিয়ন্ত্রণে মূলত লার্ভা ধ্বংস করাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। সে কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় লার্ভা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ড্রেন ও নালা-নর্দমায় লার্ভিসাইড প্রয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বাসাবাড়ির আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা, ফুলের টব,পানির ট্যাংক, ফ্রিজের ট্রেকিংবা ছাদে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং রাতে মশারি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তবে নগরবাসীর একটি অংশ সিটি কর্পোরেশনের এই দাবির সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন। তাদের প্রশ্ন, যদি নিয়মিতভাবে লার্ভা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে, তাহলে মশার উপদ্রব কেন কমছে না। অনেক বাসিন্দার অভিযোগ, মাঝে মাঝে ফগিং কার্যক্রম দেখা গেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত।নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, আগে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন এবং ড্রেনে ওষুধ প্রয়োগের কার্যক্রম দেখা যেত। কিন্তু এখন দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম তেমন দেখা যাচ্ছে না। ফলে মশার উপদ্রব দিন দিন বেড়েই চলেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মশা নিয়ন্ত্রণে শুধু ফগিং বা অস্থায়ী ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়।এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশে নিয়মিত নজরদারি এবং নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এসব উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা গেলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব।তারা আরও মনে করেন,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হলে মশা নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে মশার উপদ্রব অব্যাহত থাকলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তাই দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর বাসিন্দারা।নগরবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অচিরেই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নগরবাসী স্বস্তির পরিবেশ ফিরে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট