বিশেষ প্রতিনিধি : ইমন রহমান
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি স্বাক্ষরের জন্য টানা তিন দিন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ঘোরাঘুরি করেও প্রয়োজনীয় সত্যায়ন করাতে না পেরে চরম ভোগান্তি ও হতাশার মুখে পড়েছেন দেশের প্রথম শ্রেণীর একটি জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক আহসান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় তিনি সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ভোটার আইডি কার্ড, ছবি, শিক্ষা সনদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সত্যায়নের জন্য তাকে উপজেলা পর্যায়ের একাধিক সরকারি দপ্তরে যেতে হয়েছে। এ জন্য তিনি টানা তিন দিন ধরে বোরহানউদ্দিন উপজেলা মৎস্য অফিস, বোরহানউদ্দিন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়সহ কয়েকটি সরকারি কার্যালয়ে ঘোরাঘুরি করেন। কিন্তু কোনো দপ্তর থেকেই প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, সত্যায়িত কাগজপত্র ঢাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়ার একটি নির্ধারিত সময়সীমা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর না পাওয়ায় তিনি কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি। এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি স্বাক্ষরের জন্য তিন দিন ধরে সরকারি অফিসে ঘুরেছি। কিন্তু কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে স্বাক্ষর করাতে পারিনি। আমাদের মতো মানুষের যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ জনগণের অবস্থা কী—তা আল্লাহই ভালো জানেন।” তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে সরকারি দপ্তরে সেবা পাওয়াটা তার অধিকার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরের অভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় তিনি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ ক্ষতির দায়ভার কে নেবে—এ প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন জেলা সিনিয়র সাংবাদিকরা তারা বলছেন সাধারণ মানুষের ছোট ছোট প্রশাসনিক কাজ দ্রুত সম্পন্ন না হওয়ায় প্রায়ই ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তারা এ ধরনের সমস্যার দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা আহবান জানান তারা। এদিকে সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মন এর সাথে কথা বলতে গেলে, অফিস টাইমে বিভিন্ন লোকজনের সাথে খোশ গল্প,ও হাসি ঠাট্টা করতে দেখা যায়, তাই অভিযোগের বিষয়ে তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এদিকে সমস্ত বিষয় ভোলা জেলা প্রশাসক ড. শামিম রহমানকে বিষয়টি অবহিত করলে করলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ খায়রুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: উত্তর আব্দুল্লাহপুর কোটবাড়ি ফায়দাবাদ ঢাকা।
মোবাইল: 01968525877
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৬