
মোঃ আরিফুল ইসলাম বিশেষ সংবাদদাতা
কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখির আবাদ করেছে কৃষক । ফলন ভালো হওয়ায় এলাকার চাষীরা অনেক খুশি । হেক্টর প্রতি সূর্যমুখির ফলন দেড় থেকে দুই টনের বেশি হতে পারে। স্থানীয়দের মতে ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রয়েছে সূর্যমুখীর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। সবুজের সমরহের মধ্যে হলুদ রঙ্গের ফুল যেন এক প্রকৃতির সুন্দর রূপ। পাখির চোখে দেখলেও যেন শেষ হবে না মাঠের বিস্মৃতি। গ্রামের পথ ধরে হাঁটতেই চোখে পড়ে অসংখ্য সূর্যমুখী ফুলের বাগান। কলারোয়ার প্রায় অধিকাংশ জায়গায় সূর্যমুখী ফুলের আবাদ হয়েছে এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া সূর্যমুখী চাষের উপযোগী যে কারণে দিন দিন কৃষকরা ঝুঁকছেন এই ফুলের আবাদে। স্বল্প খরচ এবং কম সময়ে ভালো ফলন হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক এবছর চাষ হয়েছে এসিআই হাইসান ৩৬ ইন্ডিয়ান যা উৎপাদন হয়েছে ৭ – ৯ মন পার বিঘায়। কুশোডাঙ্গা, রাজনগর, যোগীখালি, মরালিকাঠি এসব গ্রাম গুলোতে এ বছর বেশি চাষ হয়েছে। রাজনগর গ্রামের কৃষক ইমান আলী বলেন এবার ফলন খুব ভালো হয়েছে এই বীজটা খুব ভালো তাই লাভবান হতে পেরেছি তিনি আরো বলেন এটা কৃষকের আয়ের জায়গা হলেও পর্যটনের জন্য সূর্যমুখী ফুল ভীষণভাবে সমাদৃত। উচ্চ ফলনশীল বিজ থেকে পাওয়া যায়। ৪৫-৫০ শতাংশ সূর্যমুখী তেল এই তেলে প্রচুর প্রাণশক্তি থাকায় দিন দিন বাড়ছে এই তেলের চাহিদা। কলারোয়া উপজেলার ২০০ কৃষকের মাঝে এসব বীজ বিতরণসহ সূর্যমুখী চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। কৃষি অফিসার মোঃ ইনামুল হক বলেন সূর্যমুখীতে তিনবার শেষ দিলে ফলন ভালো পাওয়া সম্ভব আমরা তাদেরকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি নিয়মিত পরিচর্যা করলে অবশ্যই তারা ফসল ভালো পাবে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ও কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি মাধ্যমে দেশে ভোজ্য তেল উৎপাদন বৃদ্ধি স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে নিচ্ছে নানা পদক্ষেপ এ বছর উপজেলায় ২১ সেক্টর জমিতে সূর্যমুখির আবাদ হয়েছে যদিও সূর্যমুখি তেলের চাহিদা বেশিরভাগ পূরণ হয় আমদানির মাধ্যমে। সরকার ও তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্যোগ নিলে দেশে সূর্যমুখী তেলের চাহিদা স্থানীয়ভাবে মেটানো সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।