1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
তিস্তা নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদকর্মী খুন- জখম হওয়ার আশংকা। - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা নি/হ/ত ৫ জনের বাডি নোয়াখালী সেনবাগে লালমোহনে গলায় ফাঁ/স দিয়ে ২ সন্তানের জনকের আ/ত্ম/হ/ত্যা। solta Super দুই নম্বর লবন বিক্রির বি/রু/দ্ধে অ/ভি/যো/গ। মা ২৬শে মার্চ ২০২৬- এ রাজবাড়ী ফেরীঘাটে বাস ডুবির ঘঠনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল জাব্বার খানঃ চাঁদমুহা সরলপুর যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

তিস্তা নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদকর্মী খুন- জখম হওয়ার আশংকা।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

তিস্তা নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদকর্মী খুন- জখম হওয়ার আশংকা।

মোঃ আমজাদহোসেন।
ডিমলা, নীলফামারী।

সংঘবদ্ধ চক্রটি আইন – কানুন মানছে না। অবৈধভাবে তিস্তা নদী থেকে পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা থাকলেও একন আর সে অবস্হা নেই। একের পর এক যৌথ অভিযান, মোবাইল কোর্ট ও জব্দ কার্যক্রম কাজে আসছে না। পাথর উত্তোলনকারী চক্রটি এতই শক্তিশালী যে কোন সংবাদকর্মী তিস্তা নদী এলাকার থেকে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে পাথর উত্তোলনকারীরা এলাকায় মব সৃষ্টি করে সংবাদকর্মীকে মারডাং করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। সম্প্রতি এধরণের ঘটনা ঘটায়ে সংবাদকর্মী বাদশা প্রামানিককে হেনস্তা ও লাঞ্জিত করে। বর্তমানে তিস্তা নদীতে ১৮টি বোমা মেশিন দ্বারা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে বলে সোর্স সুত্রে জানা যায়।
তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবী নিয়ে স্হানীয় জামায়াত- বিএনপি, মিডিয়া গত ১২ মার্চ ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরানুজ্জামান এর অফিস কার্যালয়ে গিয়ে তিস্তা নদী থেকে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহনের জোর দাবী জানায়।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহমত পোষণ করলেও তিনি অভিযানকালে মব সৃষ্টির আশংকা প্রকাশ করে।
বিএনপি – জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হয়েছে এবং অভিযোগ রয়েছে প্রতি বোমা মেশিন থেকে দৈনিক ৫ হাজার প্রশাসনের অনুমতির নামে উত্তোলন করা হচ্ছে বলে জানান।
তারা আরও জানান এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে হবে। কিন্তু অভিযান পরিচালনা করার প্রস্ততিকালে নির্বাহী অফিস থেকে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলনকারী মোবাইল ফোন করে তথ্য ফাঁস করে দেওয়া হয় বলে বিএনপি – জামায়াত নেতৃবৃন্দ অভিযোগ তুলেন।

আর এসব কারনে বর্তমানে জনগনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি), পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর বাস্তব ভূমিকা নিয়ে।

জানা যায়,তিস্তা নদী এলাকার চার জন দুর্বৃত্তের এর নেতৃত্বে , নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর বিভিন্ন এলাকার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের বার্নির ঘাট, তেলীর বাজার, তিস্তা বাজার, চরখড়িবাড়ি, বাইশপুকুর, ভেন্ডাবাড়ি এলাকায় দিনের পর দিন সিন্ডিকেট টি নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করে চলছে। অভিযোগ রয়েছে, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় লোহার মেশিন বসিয়ে নদীর তলদেশ থেকে পাথর উত্তোলন করছে প্রভাবশালী চক্রটি।
এরই মধ্যে উপজেলা প্রশাসন কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবিরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাথরের স্তূপ জব্দ করা হয়। এসব অভিযানে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (৫১ বিজিবি), ডিমলা থানার পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা সহযোগিতা করেন। কিছু ক্ষেত্রে পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও যন্ত্রাংশও ধ্বংস ও জব্দ করা হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযান শেষ হলেই আবার ঐ চার ব্যক্তির নেতৃত্বে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আগের মতো শুরু হয় পাথর উত্তোলন। এতে ধারনা হয় যে, চক্রটি এতটাই শক্তিশালী যে প্রশাসনিক পদক্ষেপকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে দম্ভভরে পাথর উত্তোলন করে চলছে তারা প্রশাসনকে কোনো বাধা মনে করছে না।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অবৈধ পাথর উত্তোলনের ফলে বর্ষাকালে তিস্তা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতি বছর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীভাঙন রোধে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবে সুফল মিলছে না। বরং নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দিচ্ছে।
গত বর্ষায় ডিমলা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে অন্তত ৬টি এলাকায় মারাত্মক নদীভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে। অথচ নদী থেকে অবাধে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন চলছেই।

অভিজ্ঞ মহলের অভিযোগ, তিস্তা নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধের মূল দায়িত্ব ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের হলেও সংস্থাটি কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগ রয়েছে, পাউবোর সংরক্ষিত এলাকায় অবৈধভাবে উত্তোলিত পাথর স্তূপ করে রাখার সুযোগ দিয়ে একটি পক্ষ এই অবৈধ ব্যবসাকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে। এতে তিস্তা ব্যারেজ ও বৃহত্তর সেচ প্রকল্পকে অকার্যকর করার গভীর ষড়যন্ত্রের মেতে উঠেছে।
স্হানীয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরানুজ্জামানের প্রতি দাবী করে বলেন, পাথর উত্তোলনকারীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা আনায়ন করার দাবি করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে। কাউকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। অন্যদিকে বিজিবি অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বিজিবি সচেষ্ট রয়েছে। অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। স্থানীয়দের মতে, ঘোষণা আর বাস্তবতার কোন দেখা মিলছে না। তিস্তা নদী এখনও অবৈধ পাথর উত্তোলনকারীদের জন্য দখলদারিত্বে । দ্রুত কার্যকর ও ধারাবাহিক কঠোর ব্যবস্থা না নিলে তিস্তা ব্যারাজে সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প অকার্যকর হওয়ার আশংকা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট