1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
রাজশাহীতে সাংবাদিক নেতার ওপর সশস্ত্র হামলা: প্রধান অভিযুক্তরা অধরা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা নি/হ/ত ৫ জনের বাডি নোয়াখালী সেনবাগে লালমোহনে গলায় ফাঁ/স দিয়ে ২ সন্তানের জনকের আ/ত্ম/হ/ত্যা। solta Super দুই নম্বর লবন বিক্রির বি/রু/দ্ধে অ/ভি/যো/গ। মা ২৬শে মার্চ ২০২৬- এ রাজবাড়ী ফেরীঘাটে বাস ডুবির ঘঠনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল জাব্বার খানঃ চাঁদমুহা সরলপুর যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

রাজশাহীতে সাংবাদিক নেতার ওপর সশস্ত্র হামলা: প্রধান অভিযুক্তরা অধরা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

ব্যুরো প্রধান, রাজশাহী

রাজশাহীর বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনায় এখনো পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ঘটনার মূল অভিযুক্তরা ধরা পড়েনি। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রধান অভিযুক্ত নুরে ইসলাম মিলন ও সুরুজ আলীকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রাজশাহীর সাংবাদিক মহলে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেছেন, হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অনেকেই প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।কিন্তু পুলিশ তাদের পলাতক হিসেবে উল্লেখ করছে।এমনকি তাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার পরও পুলিশ কার্যকর অভিযান চালাচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।প্রেসক্লাব সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। তারা জানান, প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে হামলাকারীরা ক্লাবে প্রবেশ করে। হামলার পর অভিযুক্তদের কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার বিষয়ে দম্ভোক্তি করছে এবং বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা নিজেদের প্রভাবশালী পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা দেখাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।এই ঘটনার পর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলামের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সাংবাদিক নেতাদের অভিযোগ, হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে তার পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। ওসি জানিয়েছেন, মামলার এজাহারে যাদের নাম রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। তবে এজাহারে নাম না থাকা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন।
পুলিশের এই অবস্থান নিয়ে সাংবাদিক সমাজের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মামলার তদন্তে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সাংবাদিক নেতারা বলেছেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। তারা আরও জানান, ঈদের আগে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। তবে ঈদের পর থেকে এই ঘটনার বিচার দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি ও আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বরেন্দ্র প্রেসক্লাব পরিচালনা নিয়ে বিরোধের জেরে কিছুদিন ধরে নুরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলী এবং তাদের সহযোগীরা প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে গত ৭ মার্চ রাত প্রায় আটটার দিকে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও ধারালো কুড়াল নিয়ে প্রেসক্লাবে হামলা চালায়।হামলার সময় অভিযোগ রয়েছে, নুরে ইসলাম মিলন পিস্তল বের করে প্রেসক্লাব সভাপতি রেজাউল করিমের মাথায় ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ সময় সুরুজ আলী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেটে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে তা প্রতিরোধ করেন। এতে তার উরুতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পরে সেখানে ১৩টি সেলাই দিতে হয়। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।ঘটনার প্রতিবাদে পরদিন রবিবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট এলাকায় সাংবাদিকদের উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন এবং দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রধান অভিযুক্ত নুরে ইসলাম মিলন ও সুরুজ আলীর বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষের ওপর হামলার ঘটনায় তাদের নাম উঠে আসে এবং সে ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় তারা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির আশ্রয়ে থেকে তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং প্রশাসনকে প্রভাবিত করার দাপট দেখিয়ে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে।এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস পুলিশ জব্দ করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তবে সাংবাদিক সমাজের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মূল অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এজন্য তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট