
সম্মানিত, ও মহিমান্বিত রজনী, সম্মান, মর্যাদা, মহা সম্মান, সেই শবে কদরের রাত।
এস এম ফয়সাল রহমান।
ডেস্ক রিপোর্ট ।
২৬ শে রমজান দিবাগত রাত,
সোমবার, ১৬/০৩/২০২৬ ইং
দেশব্যাপী ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা,
মহামান্বিত, মর্যাদা, ও ভাগ্য নির্ধারণ, রাতের ফজিলত অর্জনে ব্যাকুল।
সূরা আল-কদর পবিত্র কুরআনের ৯৭তম সূরা, যা ৫টি আয়াত নিয়ে গঠিত। এই সূরায় শবে কদর বা মহিমান্বিত রাতে কুরআন নাজিলের কথা এবং এই রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম হওয়ার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। এটি রমজান মাসের শেষ দশ দিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় রাত।
সূরা আল-কদর
(بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ)
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
إِنَّآ أَنزَلۡنَٰهُ فِى لَيۡلَةِ ٱلۡقَدۡرِ
অনুবাদ: নিশ্চয়ই আমি এটি (কুরআন) নাজিল করেছি মহিমান্বিত রাতে।
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ
অনুবাদ: আর মহিমান্বিত রাত সম্বন্ধে আপনি কি জানেন?
لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ خَيۡرٌ مِّنۡ أَلۡفِ شَهۡرٍ
অনুবাদ: মহিমান্বিত রাত হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
تَنَزَّلُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ فِيهَا بِإِذۡنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمۡرٍ
অনুবাদ: এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরাঈল) অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
سَلَٰمٌ هِىَ حَتَّىٰ مَطۡلَعِ ٱلۡفَجۡرِ
অনুবাদ: এটি শান্তি, যা ফজর উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
শবে কদর (ফার্সি: شب قدر) “অতিশয় সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত” বা “পবিত্র রজনী”। ফার্সি ভাষায় “শাব” ও আরবি ভাষায় “লাইলাতুল” অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী, অন্যদিকে ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান। এ ছাড়া এর অন্য অর্থ হল ভাগ্য, পরিমাণ ও তাকদির নির্ধারণ করা।[২] ইসলাম ধর্ম অনুসারে, এ রাতে ইসলাম ধর্মের ধর্মপ্রচারক মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই মুসলমানদের কাছে এই রাত অত্যন্ত পুণ্যময় ও মহাসম্মানিত হিসেবে পরিগণিত। কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, আল্লাহ এই রাত্রিকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন এবং এই একটি মাত্র রজনীর ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও অধিক সওয়াব অর্জিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিবছর মাহে রমজানে এই মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদর মুসলিমদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনে বলে তারা বিশ্বাস করে।