
সাহের আলী, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শাড়ি-কাপড় বিতরণ করা হয়েছে। সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওমর ফারুক আহমেদের নিজস্ব উদ্যোগে প্রায় ২০০টি পরিবারের মাঝে এ মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।সম্প্রতি শৌলমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এই শাড়ি-কাপড় বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার হতদরিদ্র, বিধবা, অসচ্ছল ও দিনমজুর পরিবারের মাঝে শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের কাপড় তুলে দেওয়া হয়। ঈদকে সামনে রেখে নতুন পোশাক পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মাঝে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এবারও ওমর ফারুক আহমেদ নিজ উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার এই উদ্যোগকে এলাকার মানুষ মানবিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। শৌলমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের দরিদ্র পরিবারগুলো তার এই সহায়তায় অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছে।শাড়ি-কাপড় বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে ওমর ফারুক আহমেদ বলেন, “পবিত্র রমজান মাস ত্যাগ ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। সমাজে অনেক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ রয়েছে, যারা ঈদের সময় নতুন পোশাক কিনতে পারেন না। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই আমাদের এই উদ্যোগ সফল হবে। সমাজের বিত্তবানদের উচিত নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।তিনি আরও বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারা তার জন্য অনেক বড় আনন্দের বিষয়। ভবিষ্যতেও তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক ও এলাকার অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা ওমর ফারুক আহমেদের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও যেন তিনি এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যান সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।উপকারভোগী অনেকেই জানান, ঈদের আগে নতুন শাড়ি ও কাপড় পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত। অনেকের পক্ষে নতুন পোশাক কেনা সম্ভব হয় না, তাই এই সহায়তা তাদের জন্য বড় একটি উপহার হিসেবে এসেছে। তারা ওমর ফারুক আহমেদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এতে একদিকে যেমন দরিদ্র মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়, অন্যদিকে সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধও জাগ্রত হয়।