
শান্তিগঞ্জের পশ্চিম বীরগাঁও মসজিদের ইমামতি নিয়ে সংঘর্ষ, আতহ ৩
দিলীপ কুমার দাশ, স্টাফ রিপোর্টার, সুনামগঞ্জ
শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁওয়ে মসজিদের ইমাম সাহেব নামাজ পড়ানো নিয়ে সংঘর্ষ আহত ৩
শনিবার ( ২১ মার্চ) শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন এর ঠাকুরভোগ সাপের কোনা জামে মসজিদের ইমাম সাহেব ছুটিতে যাওয়ায় অন্য একজন কে নামাজ পড়ানোর দায়িত্ব দেয়ায়, এই বিষয় কে কেন্দ্র করে একই গ্রামের আব্দুর রহিম গং এবং তাজু আহমেদের গংদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ১ জন মহিলা ও এক জন ১৭ বছরের ছেলে এবং ১০ মেয়ে আহত হয়।
উক্ত বিষয় সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ কালে তাজু আহমেদ বলেন, গত ২১ মার্চ শনিবার আমাদের গ্রামের মসজিদের ইমাম সাহেব ঈদের নামাজ পড়ানোর পড়ে বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছুটি নেন এবং আমার ১৭ বছরের পনেরো পাড়া কোরআনের হাফেজ মোঃ রেদোয়ান আহমেদ কে বলেন যদি মসজিদে নামাজ পড়ানোর কোন ব্যাক্তি না থাকে তাহলে তুমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়াবে। এই অবস্থায় আমার ছেলে জোহরের নামাজ পড়ানোর কোন ব্যক্তি না তাকায় তখন আমার ছেলে নামাজ পড়ায়।
তখন আব্দুর রহিম গং আমার ছেলের পিছনে নামাজ পড়বেনা বলে আমার ছেলের শার্টের কলারে ধরে মসজিদ থেকে থেকে বের করে দিয়ে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তখন পাড়ার মানুষ বিষয় টা নিয়ন্ত্রণ আনে, তার পড় বিকালে এ বিষয় কে কেন্দ্র করে ও পর্ব শত্রুতার জের ধরে আব্দুর রহিম তার সবাইকে নিয়া আমার পরিবারের উপর প্রাণে হত্যার জন্য হামলা করে এবং আমার ঘর ভাংচুর করে ঘরের প্রায় ৫০ হাজার টাকার পরিমাণ ক্ষতি করে।
এই হামলায় আমার স্ত্রী আমার ছোট মোল্লা ছেলে ও ১০ বছরের এক মেয়ে আহত হয়, তারা বর্তমানে দিরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি আছেন।
উক্ত বিষয় আব্দুর রহিম গংদের সাথে মোটোফোনে সাক্ষাৎ কালে তিনি বলেন এ বিষয় সম্পুর্ণ মিত্যা ও বানোয়াট আমরা কারো উপর কোনো হামলা করিনি এবং কাউকে আঘাত ও করিনি।