
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ইরানের নিখুঁত হামলার নেপথ্যে রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যের ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তার অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যের কোথায় মার্কিন সেনারা অবস্থান করছেন এবং তাদের গতিবিধি কেমন, তা শনাক্ত করে ইরানকে নিয়মিত জানিয়ে দিচ্ছে মস্কো।
গোপন নজরদারির তথ্য টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে—রাশিয়া চলতি সপ্তাহে কুয়েত, সৌদি আরব, তুরস্ক ও কাতারসহ অন্তত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নজরদারি চালিয়েছে এবং ছবি তুলেছে। এই তালিকার মধ্যে ভারত মহাসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে ব্যবহার করে।
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন জেলেনস্কি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাশিয়ার এই তৎপরতা বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দিচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, যেখানে রাশিয়া সরাসরি সংঘাত উসকে দিচ্ছে, সেখানে মস্কোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার আলোচনা কতটা যৌক্তিক?
ইউক্রেনের নতুন নিরাপত্তা উদ্যোগ চলতি সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার সফরকালে জেলেনস্কি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইরানের ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেন। এছাড়া, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদী একটি ঐতিহাসিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন তিনি।